ঈদে জঙ্গি হামলার হুমকি ছিল : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৫:২১, ০৯ জুন ২০১৯

আপডেট: ০৯:২১, ০৯ জুন ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আন্তরিক চেষ্টায় এবার ঈদ জামাতে জঙ্গি হামলার হুমকি মোকাবিলা করে সুষ্ঠুভাবে ঈদ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দলমত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধ হ্ওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

রোববার (৯ জুন) বিকালে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ঈদের সময় কী ধরনের হুমকি ছিল আরেক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, গুলশানের হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর থেকেই গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ও পুলিশ কড়া নজরদারি শুরু করে। কোথাও কোনো ধরনের তথ্য পেলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এবার ঈদের আগেও তেমন হুমকি ছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঈদ জামাতের সময় তিনি সত্যিই খুব চিন্তিত ছিলেন। সরকারপ্রধান বলেন, তিনি দেশে বা দেশের বাইরে যেখানেই থাকুন না কেন, দেশে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সব সময় তার যোগাযোগ থাকে। এবারও বিভিন্ন ঈদ জামাত সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার কাছে মেসেজ গেছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ বাহিনী, র‌্যাব থেকে শুরু করে সকলেই খুব আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে বলেই সুষ্ঠুভাবে ঈদের জামাতগুলো সম্পন্ন হয়েছে।

এর আগে সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক জাপান, সৌদি আরব ও ফিনল্যান্ড সফরের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরতে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে প্রথমে জাপান সফরের বিষয়টি তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, জাপান সফরে কিছু চুক্তি সই হয়েছে। কয়েকটি প্রকল্পে জাপান বিনিয়োগ করছে। ২৫০ কোটি ডলারের উন্নয়ন সহায়তা চুক্তি সই হয়েছে।

ঢাকার হলি আর্টিজানে নিহত জাপানিদের স্বজনদের সঙ্গে দেখা করে তাদের সমবেদনা জানানোর বিষয়টিও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

জাপান সফর শেষে সৌদি আরব সফরের বিষয়টি তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, ‘জাপান থেকে সৌদি আরবে যা্ওয়ার পথে নিজ দেশেই নেমেই যা্ওয়ার ইচ্ছা হয়েছিল তার। এ সময় তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছি। এটাকে আন্তর্জাতিক রুটের সঙ্গে সংযুক্ত করার কাজ চলছে। এখানে জ্বালানি নেবে আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটগুলো।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘সৌদি আরবে ওআইসির ১৪তম ইসলামিক সম্মেলনে এশিয়ার পক্ষ থেকে আমি বক্তব্য দিয়েছি। সম্মেলনে জঙ্গিবাদ, রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করি। ভালোভাবে তুলে ধরি এসব বিষয়। মুসলিম দেশগুলোর শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষার বিষয়ে কথা হয়।’

এরপর মক্কায় ওমরাহ পালন এবং মদিনায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর রওজা জিয়ারতের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

সৌদি আরবের পর ফিনল্যান্ড সফরের বিষয়টি তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফিনল্যান্ডের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এটি শান্তিপূর্ণ দেশ। আইসিটিতে তারা খুবই এক্সপার্ট। এখাতে বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’

এই বিভাগের আরো খবর

বিএনপিকে নিয়ে আ. লীগ মিথ্যাচার করছে: ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ নিজেরা...

বিস্তারিত
বিএনপির অনেক নেতাই দল ছেড়ে যেতে চায়: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির অনেক নেতাই...

বিস্তারিত
সরকারের ব্যর্থতায় কোথাও নিয়ন্ত্রণ নেই: ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারের ব্যর্থতার...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *