ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-17

, ১৭ মহররম ১৪৪১

প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পান স্বাস্থের জন্য ঝুঁকির

প্রকাশিত: ০৩:৫১ , ২৩ মে ২০১৯ আপডেট: ০৭:৫০ , ০৭ জুন ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক: বলা হয়ে থাকে পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া কোনো জীব বাঁচতে পারে না। জীবদেহের জীবন পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত পানি পান না করার রয়েছে নানান কুফল। আবার বেশি পান করলেও হতে পারে সমস্যা। গ্রীষ্মকালের বড় সমস্যা হতে পারে পানিশূন্যতা। পর্যাপ্ত পানি পান না করার কারণে হওয়া এই সমস্যায় কমবেশি সবাই ভুক্তভোগী। সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখা।

ইফতারের পর থেকে আবার রোজা ধরা পর্যন্ত সবাই চেষ্টা করেন যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করার। তবে চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে অতিরিক্ত পানি পান করে ফেলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আর অন্য সবকিছুর মতো পানিও প্রয়োজনের বেশি পান করার জটিলতা আছে। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হল কীভাবে বুঝবেন বেশি পানি পান করা হচ্ছে।

হাইপোন্যাট্রেমিয়া: শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা অনেক কমে গেলে এই সমস্যা দেখা দেয়। দেহের সকল কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন করতে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার সোডিয়াম প্রয়োজন। অতিরিক্ত পানি পান করলে শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা কমে যায়। এছাড়াও অতিরিক্ত পানি পান করলে শরীর পানি জমিয়ে রাখতে শুরু করে, ফলে বাড়তি পানি বের করে দেওয়ার প্রক্রিয়া জটিল হয়ে যায়।

প্রস্রাবের রং: বেশি পানি পান করলে প্রসাবের মাত্রা বাড়বে সেটাই স্বাভাবিক। তবে খেয়াল রাখতে হবে মুত্রের রংয়ের দিকে। স্বাভাবিক প্রসাবের রংয়ে মৃদু হলুদ আভা থাকবে। তবে প্রয়োজনের বেশি পানি পান করলে প্রসাব পুরোপুরি স্বচ্ছ হয়ে যায়।

তৃষ্ণা ছাড়াই পানি পান: পানির চাহিদা পূরণ করা জন্য অনেকেই হাতের কাছে সবসময় পানির বোতল রাখেন। তেষ্টা না পেলেও কিছুক্ষণ পরপর পানিতে চুমুক দেন। তৃষ্ণা হল পানিশূন্যতা মোকাবেলায় শরীরের জৈবিক হাতিয়ার। মতাই তৃষ্ণা না পেলেও যদি পানি পান করেন সেক্ষেত্রে শরীরের কোনো উপকার করছেন না। বরং শরীরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে দ্বিধাগ্রস্ত করছেন।

বমিভাব ও বমি: পানিশূন্যতা আর অতিরিক্ত পানি পানের উপসর্গ এক রকম না হওয়াই স্বাভাবিক। অতিরিক্ত পানি পান করলে বৃক্ক তার ধরে রাখতে পারে না, ফলে শরীরের বিভিন্ন স্থানে তা ছড়িয়ে যায়। এতে পেটের বিভিন্ন স্থানে প্রদাহ দেখা দিতে পারে, দেখা দিতে পারে বমিভাব এবং বমি।

মাথাব্যথা: দপদপানি মাথাব্যথা অতিরিক্ত পানি পান করার আরেকটি উপসর্গ, যা সনাক্ত করা বেশ কঠিন। বেশি পানি পান করার কারণে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ফুলে যায়, লবণের মাত্রা ভারসাম্য হারায় এবং মস্তিষ্কের বিভিন্ন স্নায়ুর উপর চাপ প্রয়োগ করে। আর একারণেই দেখা দেয় মাথাব্যথা।

হাত, ঠোঁট ফুলে যাওয়া: মুখমণ্ডল আর শরীরের বিভিন্ন অংশে ফোলাভাব দেখা দেওয়া বেশি পানি পান করার লক্ষণ হতে পারে। শরীরে প্রয়োজনের বেশি পানিই এই ফুলে যাওয়ার কারণ। সেই সঙ্গে ত্বকের রং পরিবর্তনও হতে পারে। আর শরীর ফুলে যাওয়া কারণে বাড়তে পারে ওজনও।

পেশি ব্যথা: শরীরে পানি বেশি হলে ‘ইলেক্ট্রোলাইট’য়ের মাত্রা কমে যাবে। এই ভারসাম্যহীনতার কারণে শরীর ব্যথা, রগে টান পড়া, শরীর শক্ত হয়ে থাকা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর সবকিছুর সঙ্গেই থাকবে শারীরিক দূর্বলতা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

মুখের মেদ লুকান মেকাপে

অনলাইন ডেস্ক: মুখে বেশি মেদ থাকলে মুখ ভারি দেখায়, চোখ দেখায় ছোট ছোট। মুখের এই মেদ কমাতে কত কিছুই না করতে হয়। অনেকেই ব্যায়াম অথবা ডায়েট করেন...

ডেঙ্গুতে ঢাকায় এক শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর শিশু হাসপাতালে সোনিয়া নামে ৯ বছরের এক শিশু ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এনিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is