ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-20

, ২০ মহররম ১৪৪১

ইফতারে কেন খাবেন খেজুর

প্রকাশিত: ১১:০৩ , ২০ মে ২০১৯ আপডেট: ০১:৩০ , ২০ মে ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক: রোজার সময় ইফতারে খেজুর খুব পরিচিত ও পুষ্টিকর খাবার। শুধু রোজায় নয়, আপনি চাইলে পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এই ফলটি সারা বছরই খেতে পারেন। খেজুর আমরা সবাই খেলেও এর পুষ্টিগুণ সম্পর্কে অনেকেরই অজানা। মিষ্টি এই ফলটি খেলে দূর হতে পারে অনেক রোগ।

খেজুরের পুষ্টিগুণ: সুস্বাদু আর বেশ পরিচিত একটি ফল। যা ফ্রুকটোজ এবং গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। এটা রক্তে শকর্রার পরিমাণ বাড়ায়। খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। খেজুরের পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে বলা হয় চারটি বা ৩০ গ্রাম পরিমাণ খেজুরে আছে ৯০ ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মি.লি. গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ গ্রাম ফাইবার এবং আরও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস। তাই খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন বি। যা ভিটামিন বিসিক্স মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

আসুন জেনে নেই যেসব রোগ থেকে মুক্তি দেবে খেজুর।

হৃদরোগের ঝুঁকি: খেজুরে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।এছাড়া হৃৎপিণ্ডের সবচেয়ে নিরাপদ ওষুধ খেজুর।

কোষ্ঠকাঠিন্য ও হজমের সমস্যা দূর করে: খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টিগুণ, যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। ফাইবার সমৃদ্ধ খেজুর নিয়মিত খেলে দূর হয় হজমের সমস্যা।

ক্যান্সার প্রতিরোধ: পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ও প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ খেজুর ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। তাই যারা নিয়মিত খেজুর খান, তাদের বেলায় ক্যান্সারের ঝুঁকিটাও অনেক কম থাকে।

উচ্চ রক্তচাপ: খেজুরে থাকা আয়রন ও ফাইবার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। প্রচুর পটাসিয়াম পাওয়া যায় খেজুর থেকে। এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এছাড়া মাত্র কয়েকটি খেজুর ক্ষুধার তীব্রতা কমিয়ে দেয় এবং পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। অল্পতেই শরীরের প্রয়োজনীয় শকর্রার ঘাটতি পূরণ করে।

স্মৃতিশক্তি বাড়ায়: মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায় খেজুর। বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য খেজুর খুবই উপকারী। এটি স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। গ্লুকোজের পাশাপাশি প্রাকৃতিক চিনি পাওয়া যায় খেজুর থেকে যা এনার্জি বাড়ায়। খেজুরে থাকা ভিটামিন সি ও ডি ত্বক ভালো রাখে। এছাড়া খেজুর দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে রাতকানা প্রতিরোধেও সহায়ক।

মায়ের বুকের দুধের জন্য: খেজুর বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েদের জন্য সমৃদ্ধ এক খাবার, যা মায়ের দুধের পুষ্টিগুণ আরও বাড়িয়ে দেয় এবং শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।এছাড়া ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা হাড়কে মজবুত করে।

সংক্রমণ রোধ: যকৃতের সংক্রমণে খেজুর উপকারী। এ ছাড়া গলাব্যথা এবং বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি ও ঠাণ্ডায় বেশ কাজ দেয়। এছাড়া অন্ত্রের কৃমি ও ক্ষতিকারক পরজীবী প্রতিরোধে খেজুর বেশ সহায়ক। অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি করে।

শিশুদের রোগবালাই: খেজুর শিশুদের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডায়রিয়াও প্রতিরোধ করে। তাই শুধু রমজান মাসে কেন, বছরজুড়েই খাদ্য তালিকায় থাকুক খেজুর।
 

এই বিভাগের আরো খবর

মুখের মেদ লুকান মেকাপে

অনলাইন ডেস্ক: মুখে বেশি মেদ থাকলে মুখ ভারি দেখায়, চোখ দেখায় ছোট ছোট। মুখের এই মেদ কমাতে কত কিছুই না করতে হয়। অনেকেই ব্যায়াম অথবা ডায়েট করেন...

স্ত্রীর সাথে তর্ক যে কারণে বৃথা

অনলাইন ডেস্ক: কে কার সাথে প্রথম তর্ক বিতর্কে জড়িয়েছিল তা হয়ত জানা সম্ভব হয়নি। তবে তর্ক-বিতর্ক যে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ এ নিয়ে কোন...

চুলের যত্নে অ্যালোভেরা

অনলাইন ডেস্ক: অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমরী এককি উপকারী অতি পরিচিত উদ্ভিদ। অ্যালোভেরার বাংলা নাম ঘৃতকুমারী। সারাবিশ্বের একে অ্যালোভেরা হিসাবে...

সকালে যা করলে ত্বক সুন্দর থাকে

অনলাইন ডেস্ক: নিজের চেহারা সুন্দর দেখাতে কে না চায়। এজন্য কত ধরনের যত্নই না করি আমরা। অনেকের আবার ব্যস্ততার কারণে হয়ে ওঠে না তার সঠিক...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is