ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

2019-08-22

, ২০ জিলহজ্জ ১৪৪০

হাওরাঞ্চলে ধানের ক্রেতা নেই

প্রকাশিত: ১০:২৩ , ১৫ মে ২০১৯ আপডেট: ১১:৫৪ , ১৫ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: হাওরাঞ্চলে এবছর ধানের বাম্পার ফলন হলেও হাসি নেই কৃষকের মুখে। এখানে উৎপাদিত ধান মূলত বিক্রি হয় দেশের অন্যতম বৃহৎ মোকাম ভৈরবে। কিন্তু সেখানে উৎপাদন খরচের চাইতে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে ধান। ব্যবসায়িরা বলছেন, পাইকার কম থাকায় এবং ধানের অনেক মজুদ হয়ে যাওয়ায় দাম কম। তবে, সরকারিভাবে ধান কেনা পুরোপুরি শুরু হলে দাম বাড়বে।

কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার দেশের অন্যতম বৃহৎ ধানের মোকাম। হাওর অঞ্চল নির্ভর এই মোকামের আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়িরা প্রতি বছর হাজার হাজার মণ ধান সংগ্রহ করেন। চলতি বছর কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের হাওরে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। সেই ধান বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হচ্ছে ভৈরবে।  

তবে ধানের উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজার দর কম হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। তারা জানালেন, প্রতিমণে উৎপাদন খরচ সাড়ে পাঁচ শ’ থেকে ছয় শ’ টাকা। অথচ বর্তমান বাজারদর পাঁচ শ’ থেকে সাড়ে পাঁচ শ’। ফলে প্রতিমণে ৫০ থেকে একশ টাকা লোকসান গুণতে হচ্ছে। 

লোকসানের কারণে অনেক কৃষকই ধান বিক্রি করছেন না। অনিশ্চিত ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন তারা। 

ব্যবসায়িরা জানালেন, প্রতিদিনই হাজার হাজার মন ধান ভৈরবের মোকামে আসছে। কিন্তু পাইকার কম আসায় দাম কম। তবে, সরকারিভাবে সংগ্রহ পুরোপুরি শুরু হলে ধানের মূল্য বাড়বে বলেও জানালেন ব্যবসায়িরা। 

তিনি জানালেন, বর্তমানে ভৈরবের মোকামে ৫০ হাজার মন ধান মজুদ রয়েছে। একারণেও নতুন করে ধান কেনায় ব্যবসায়িদের চাহিদা কম। 
 

এই বিভাগের আরো খবর

মানিকগঞ্জে কবর থেকে কঙ্কাল চুরি

মানকিগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের সিংগাইরে কবর থেকে কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। কবরটি ছিল ১৪ বছর আগে বজ্রপাতে নিহত এক নারীর। বুধবার দিবাগত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is