ঢাকা, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-16

, ১৬ মহররম ১৪৪১

এইডস প্রতিরোধে কলা!

প্রকাশিত: ০৮:২০ , ০৭ মে ২০১৯ আপডেট: ০৮:২০ , ০৭ মে ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক: গবেষকেরা কলা থেকে একটি আশ্চর্য ওষুধ তৈরির দাবি করেছেন যা হেপাটাইটিস সি, ইনফ্লুয়েঞ্জা ও এইচআইভি ভাইরাসের মতো বিভিন্ন ভাইরাস প্রতিরোধে কাজ করবে। যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের দাবি কলার মধ্যে রয়েছে এমন এক পদার্থ যা মানব দেহে রোগ সংক্রামক ও মারণাত্মক ভাইরাসের সঙ্গে মোকাবিলা করতে সাহায্য করে।

গবেষকদের দাবি কলার মধ্যে যে প্রোটিন রয়েছে তার নাম ব্যানানা ল্যাকটিন। এই ল্যাকটিন মানব শরীরের কোষ গুলির মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণকে প্রতিরোধ করতে পারে। গবেষকদের মতে ইধহখবপ (ব্যানানা ল্যাকটিন) মানব শরীরে এইডস, হেপাটাইটিস সি এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার মত ভাইরাস গুলিকে বিষণ করে দেয়।

প্রায় পাঁচ বছর আগে এটি এইডসের চিকিৎসায় সম্ভাবনাময় ওষুধ হিসেবে আবিষ্কৃত হয়। তবে এর মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে তখন ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। গবেষকেরা দাবি করেছেন, তারা বর্তমানে সে সমস্যা দূর করতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁরা ব্যানলেক প্রোটিনটির নতুন একটি সংস্করণ তৈরি করেছেন। এটি ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে কোনো ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখতে পাননি।

গবেষকেরা এই এইচ৮৪টি নামের ব্যানলেকটির নতুন সংস্করণটি পরীক্ষাগারে এইডস, হেপাটাইটিস সি, ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণে টিস্যু ও রক্তের নমুনার ওপর প্রয়োগ করে দেখেছেন। গবেষকেরা বলছেন, তাঁদের তৈরি এ ওষুধ ইবোলার ওপরেও কাজ করবে। কারণ ভাইরাসের ওপরে থাকা চিনির অনুগুলোকে আটকে রাখবে।

গবেষকেরা অবশ্য বলছেন, নিয়মিত কলা খেলে এ ধরনের কেনো সুফল পাওয়া যাবে না। কারণ ওষুধ তৈরিতে কলা থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক সংগ্রহ করা হয় এবং তা প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

‘সেল’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে গবেষণা সংক্রান্ত নিবন্ধ। গবেষণা প্রবন্ধের সহ-লেখক ও মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডেভিড মার্কোউইজ বলেন, ‘আমরা যা করেছি সেটি দারুণ। কারণ ব্যানলেক দিয়ে অ্যান্টি-ভাইরাল জাতীয় কিছু তৈরির পথ খুলেছে। এখন পর্যন্ত চিকিৎসক ও রোগীর কাছে এ ধরনের কোনো ওষুধ নেই।’
অবশ্য নটিংহ্যাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জোনাথান বল বলেছেন, বড় প্রশ্ন হচ্ছে, এই ওষুধ মানুষের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যাবে কি না সেটি। কলার বিভিন্ন নমুনা নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে। কলার মধ্যেকার প্রোটিন থেকে যদি প্রতিষেধক কিছু আবিষ্কার করা যায় তবে তা চিকিৎসা বিজ্ঞানকে সহায়াতা করবে। ক্লিনিকে এটা সহজলভ্য করার আগে এসব বাধা ও পরীক্ষায় পাশ করে তবে এটি বাজারে আনতে হবে।

সূত্র: ডেইলি মেইল।

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

এ বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা ৬৮ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ডেঙ্গুতে এ বছর মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮ জনে। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ২০৩ জনের মৃতের...

কেন দৌড়াবেন?

অনলাইন ডেস্ক: দৌড় দারুণ একটা ব্যায়াম। হয়তো সব ধরনের শারীরিক সমস্যার সমাধান না হলেও দৌড়ানোর ফলে অনেক সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। এটা একদিকে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is