বিষের বাজারেও ভেজাল আছে

প্রকাশিত: ১১:০৮, ০৭ মে ২০১৯

আপডেট: ১২:২৮, ০৭ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে বছরে বিষের যে চাহিদা, তা অর্থমূল্যে আড়াই হাজার কোটি টাকার। যার পুরোটাই আমদানি করতে হয় বিভিন্ন দেশে থেকে। অন্যদিকে আমেরিকা, এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ বিষ রপ্তানি করে আয় করছে বিপুল অর্থ।

দেশেও ক্রমাগত বড় হচ্ছে বিষ বাণিজ্য। বাড়ি ঘরে এবং চাষাবাদে পোকা-মাকড়সহ নানা প্রাণীর আক্রমণ ও উপদ্রব থেকে বাঁচার জন্য পুরোনো প্রাকৃতিক উপায় যেমন, ফাঁদ বা ভীতির আয়োজনের পরিবর্তে দিন দিন রাসায়নিক বিষের চাহিদা বেড়েছে। বিশেষ করে ফলন বৃদ্ধি ও খাদ্যশস্য মজুদ করার গুদামে এসব বিষের ব্যাবহার বেশি।

অল্প খরচে তাৎক্ষণিক ফল পাওয়ায় এসব বিষের চাহিদা বি¯তৃত হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশন-ডব্লিউটিওর জরিপ অনুযায়ী বর্তমানে বিশ্বের ১৯৯ টি দেশে বানিজ্যিক বিষের ব্যবহার হয়।

২০১৭ সালের এক আন্তর্জাতিক জরিপ অনুযায়ী বিষ রপ্তানিকারক প্রথম ১৫টি দেশের মধ্যে শীর্ষে চায়না, তারপর জার্মানী, যুক্তরাষ্ট্র এবং প্রতিবেশী ভারত। এসব দেশ বিষ রপ্তানি করে বড় অংকের রাজস্ব আয় করে। অন্যদিকে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপ অনুযায়ি ২০০৬ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত খাদ্যশস্যে বিষের ব্যাবহার উর্ধ্বমূখী থাকলেও ২০১২ সাল থেকে কমছে।  

দেশে বিষের বাজারে বর্তমানে আড়াইশ বৈধ কোম্পানি আছে। এই বাজারের চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টি সংশ্লিষ্টরা এভাবে ব্যাখ্যা দেনÑ প্রতিদিন ১৪ কোটি, সপ্তাহে ৫২ কোটি, মাসে ২০৯ কোটি এবং বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকার বিষের চাহিদা। অল্প পূঁজিতে দ্বিগূণ-তিনগুণ লাভের আশায় ব্যাঙ্গের ছাতার মত রাতারাতি বিষ বাজারে এসছে ভেজাল পণ্য যা বাজারের মোট বিষ পণ্যের প্রায় ৩০ শতাংশ।

তবে এসব বিষের প্রয়োগে যথাযথ মাত্রা ও পদ্ধতি না মানায় দিন দিন বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি।

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *