দেশে ক্রমেই বড় হচ্ছে বিষের বাজার

প্রকাশিত: ১০:৩৩, ০৭ মে ২০১৯

আপডেট: ১২:৩০, ০৭ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেগ: বিষ কথাটায় সাধারণত নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হয়, কিন্তু নিজেদের স্বার্থে জেনে না জেনে বিচিত্র বিষের ব্যবহারে অভ্যস্ত মানুষ। তাই কালক্রমে কেবলই বড় হয়েছে বিষের বাজার। দেশেই তা বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার। এই বাজারেও আছে অবৈধ বাণিজ্য আর ভেজালের কারবার। আছে অপব্যবহার আর সচেতনতার অভাব।

ধারনা করা হয়, খ্রিষ্টপূর্ব ৫ হাজার বছর আগে থেকে বিষের ব্যবহার করে আসছে মানুষ। সেসময় সাপ,ব্যাঙ্গ, মাকড়শা, উদ্ভিদসহ প্রাকৃতিক উপাদান থেকে বিষ সংগ্রহ করতো। সেসব বিষ পোকা-মাকড় দূর করা, শিকার করা সহ শত্র“দের হত্যার কাজে বেশি ব্যবহার হত।

কালক্রমে দৃশ্যপটে পরিবর্তন এসেছে। তৈরি হয়েছে বিষের বাজার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব ছড়ালে, সৈনিকদের বাঁচাতে জার্মান বিজ্ঞানী পল হার্মেন মুলার ১৯৩৯ সালে ডি.ডি.টি নামক একধরনের বিষ আবিস্কার করেন। ডি.ডি.টি ব্যবহারে সফলতা দেখলে কৃষি কাজে ব্যবহার শুরু হয়। কিন্তু পরিবেশ ও মানব দেহের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ায় ১৯৬২ সালে এর ব্যবহার বন্ধ করা হয়।

পরে সময়ের বিবর্তনের সাথে সাথে ধান, গম, শাক-সবজিসহ খাদ্যশস্যের ফলন বৃদ্ধি ও পোকামাকড় ছত্রাক দুর করতে তৈরী করা হয় নতুন নতুন বিষ। পাশাপাশি বাসা বাড়িতে ইঁদুর, তেলাপোকা, মাকড়শা, মশা ইত্যাদি নানান ধরনের পোকা মাকড় নিধনে শুরু হয় বিষের প্রচলন। যার মধ্যে বাংলাদেশেই বিভিন্ন শস্যের বহুবিধ রোগ এবং  ইঁদুর, তেলাপোকা মারার জন্য নিবন্ধিত আছে সাড়ে ৫ হাজার বিষ।

অল্প পুঁজিতে বেশি লাভ তাই বিষ বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে দ্রুত। দেশের বিষ বাণিজ্য জগতে গড়ে উঠেছে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত প্রায় ৪শরও বেশি কোম্পানি।

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *