ঢাকা, সোমবার, ২৭ মে ২০১৯, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

2019-05-26

, ২১ রমজান ১৪৪০

দেশে ক্রমেই বড় হচ্ছে বিষের বাজার

প্রকাশিত: ১০:৩৩ , ০৭ মে ২০১৯ আপডেট: ১২:৩০ , ০৭ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেগ: বিষ কথাটায় সাধারণত নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হয়, কিন্তু নিজেদের স্বার্থে জেনে না জেনে বিচিত্র বিষের ব্যবহারে অভ্যস্ত মানুষ। তাই কালক্রমে কেবলই বড় হয়েছে বিষের বাজার। দেশেই তা বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার। এই বাজারেও আছে অবৈধ বাণিজ্য আর ভেজালের কারবার। আছে অপব্যবহার আর সচেতনতার অভাব।

ধারনা করা হয়, খ্রিষ্টপূর্ব ৫ হাজার বছর আগে থেকে বিষের ব্যবহার করে আসছে মানুষ। সেসময় সাপ,ব্যাঙ্গ, মাকড়শা, উদ্ভিদসহ প্রাকৃতিক উপাদান থেকে বিষ সংগ্রহ করতো। সেসব বিষ পোকা-মাকড় দূর করা, শিকার করা সহ শত্র“দের হত্যার কাজে বেশি ব্যবহার হত।

কালক্রমে দৃশ্যপটে পরিবর্তন এসেছে। তৈরি হয়েছে বিষের বাজার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ম্যালেরিয়ার প্রাদুর্ভাব ছড়ালে, সৈনিকদের বাঁচাতে জার্মান বিজ্ঞানী পল হার্মেন মুলার ১৯৩৯ সালে ডি.ডি.টি নামক একধরনের বিষ আবিস্কার করেন। ডি.ডি.টি ব্যবহারে সফলতা দেখলে কৃষি কাজে ব্যবহার শুরু হয়। কিন্তু পরিবেশ ও মানব দেহের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ায় ১৯৬২ সালে এর ব্যবহার বন্ধ করা হয়।

পরে সময়ের বিবর্তনের সাথে সাথে ধান, গম, শাক-সবজিসহ খাদ্যশস্যের ফলন বৃদ্ধি ও পোকামাকড় ছত্রাক দুর করতে তৈরী করা হয় নতুন নতুন বিষ। পাশাপাশি বাসা বাড়িতে ইঁদুর, তেলাপোকা, মাকড়শা, মশা ইত্যাদি নানান ধরনের পোকা মাকড় নিধনে শুরু হয় বিষের প্রচলন। যার মধ্যে বাংলাদেশেই বিভিন্ন শস্যের বহুবিধ রোগ এবং  ইঁদুর, তেলাপোকা মারার জন্য নিবন্ধিত আছে সাড়ে ৫ হাজার বিষ।

অল্প পুঁজিতে বেশি লাভ তাই বিষ বাণিজ্যের প্রসার ঘটেছে দ্রুত। দেশের বিষ বাণিজ্য জগতে গড়ে উঠেছে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত প্রায় ৪শরও বেশি কোম্পানি।

এই বিভাগের আরো খবর

বিষের বাজারেও ভেজাল আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে বছরে বিষের যে চাহিদা, তা অর্থমূল্যে আড়াই হাজার কোটি টাকার। যার পুরোটাই আমদানি করতে হয় বিভিন্ন দেশে থেকে। অন্যদিকে...

দেশে ক্রমেই বড় হচ্ছে বিষের বাজার

নিজস্ব প্রতিবেগ: বিষ কথাটায় সাধারণত নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হয়, কিন্তু নিজেদের স্বার্থে জেনে না জেনে বিচিত্র বিষের ব্যবহারে অভ্যস্ত মানুষ।...

ফল রপ্তানীতে সুপরিকল্পনা ও উদ্যোগ চান ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের ফল বাণিজ্য অভ্যন্তীণ বাজার কেন্দ্রিক। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে কিছু দেশীয় ফল বিদেশে রপ্তানী হলেও পরিমাণ খুব কম। তাই...

চাহিদা-পুষ্টিগুণ বিবেচনায় ফল চাষ পদ্ধতিতে এসেছে পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক : মৌসুমী ফলের উৎপাদন ক্রমেই বাড়ছে। চাহিদা এবং পুষ্টিগুণ বিবেচনায় চাষ পদ্ধতিতেও পরিবর্তন হচ্ছে। অপ্রচলিত এবং বিলুপ্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is