ফল রপ্তানীতে সুপরিকল্পনা ও উদ্যোগ চান ব্যবসায়ীরা

প্রকাশিত: ১০:১৮, ০৬ মে ২০১৯

আপডেট: ১২:৩৩, ০৬ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের ফল বাণিজ্য অভ্যন্তীণ বাজার কেন্দ্রিক। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে কিছু দেশীয় ফল বিদেশে রপ্তানী হলেও পরিমাণ খুব কম। তাই ফল ব্যবসায়ীদের আক্ষেপ আছে। তারা সুপরিকল্পনা ও উদ্যোগ চান দেশের ফলকে সফল অর্থকরী খাত করে তুলতে। 

পুরোনো ঢাকার ওয়াইজঘাট, দেশীয় ফলের সবচেয়ে বড় আড়ৎ। আড়ৎদারদের এমন হাকডাক মৌসুমে ভেদে পাল্টায়। বৈশাখের শুরু থেকে শ্রাবণ মাস পর্যন্ত তাদের দম ফেলার ফুরসৎ থাকে না। ভোরের আলো ফোটার সময় পায় না, তার আগে এদরে কর্মব্যস্ত দিন শুরু হয়। দেশের সব কোণ থেকে ফল আসে এখানে । সকাল দশটার মধ্যেই খুচরা বিক্রেতারা ফল কিনে ফিরলে ভীড় কমে এই আড়তে।  

পুষ্টিবিদরা জানান, প্রতিদিন ২০০ গ্রাম ফল খাওয়া উচিত। কিন্তু ফল খাওয়াটা স্থানীয় খাদ্যাভাসে নেই, যার প্রভাব আছে ফলের বাজারে। কিছু মৌসুমী ফল বাজারে উঠলে চিত্রটা ভিন্ন হয় বাজারে। ফলের বাণিজ্য প্রতিবছর টাকার অংকে খুব বড় নয় বলে জানান ব্যবসায়ীরা। 

দেশীয় ফলের মূল বাজার দেশেই। তবে বিদেশেও যাচ্ছে কিছু মৌসুমী ফল। বিশেষ করে আম, কাঁঠালের জনপ্রিয়তা আছে, তবে পরিমানে কম। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বছরে প্রায় তিন হাজার মেট্রিক টন দেশীয় ফল বিভিন্ন দেশে রপ্তানী হচ্ছে। যার মধ্যে আম, কাঁঠাল, পেয়ারা লটকন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। প্রবাসী বাংলাদেশীরা মূল ক্রেতা। 

দেশীয় ফল উৎপাদনে গুরুত্ব দেয়ায় ফলন বাড়ছে, যা বিদেশী ফলের আমদানী কমাচ্ছে। দেশি ফলের উৎপাদন যতো বাড়বে  ফল আমদানীতে বৈদেশির মুদ্রার ব্যয় তত কমবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। 
 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *