ঢাকা, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-16

, ১৬ মহররম ১৪৪১

দেশের ৬০ শতাংশ ফল হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষায়

প্রকাশিত: ১০:০৯ , ০৬ মে ২০১৯ আপডেট: ১২:৩৪ , ০৬ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : ফল সমৃদ্ধ এই জনপদে এখন ফলের ভরা মৌসুম। দেশের ৬০ শতাংশ ফল হয় এই গ্রীষ্ম আর পরের বর্ষা কাল জুড়ে। কালক্রমে হারিয়ে গেছে অনেক দেশী ফল, আবার বেশ কিছু বিদেশী ফল চাষে জায়গা পেয়েছে। বেড়েছে অনেক ফলের ফলন ও বাণিজ্য। রীতিমত ফল খাওয়ার উৎসব জমে ওঠে এই মৌসুমে। এমন মৌসুমে রোজা ফলের চাহিদাও বাড়ায়।

বারো মাসের ছয় ঋতু জুড়েই কোন না কোন ফল হয় দেশে। বৈশাখ থেকে আষাড়ে বাহারী সুস্বাদী ফলের বিশেষ সমারোহ। তাই প্রাচীন সময় থেকে এটা মধুমাস। দেশীয় ফলের ৬০ শতাংশ হয় মে থেকে আগস্টে। 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ১০৪ প্রজাতির ফলে সমৃদ্ধ দেশ। প্রচলিত এবং অপ্রচলিত ৭০ ধরনের ফল কম-বেশী বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয়। ১৩টি প্রচলিত ফল পাওয়া যায় মধুমাসে।

ফল জগতে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আম। তারমধ্যে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বিশেষ জনপ্রিয়। জোষ্ঠের মাঝামাঝি থেকে পাকা আম আসতে শুরু করে বাজারে। শতাধিক প্রজাতির আম এখনও আছে, যেগুলো ধাপে ধাপে বাজারে আসে। কিছু আমের আবার বিশেষ কদর।  

এই জ্যোষ্ঠ্যে লিচুও জনপ্রিয়। প্রকৃতি ও বাজারে এর স্থায়ীত্য কম। দিনাজপুরের লিচুর বিশেষ কদর। কাঁঠাল জাতীয় ফল। ফলনও হয় ব্যাপক। জনপ্রিয়তায় আম ও লিচুর মত নয়। তবে প্রকৃতি ও বাজারে স্থায়ীত্য বেশী। 

মধুমাসের যাত্রা শুরু তরমুজে। যা গরমে প্রশান্তি দেয়। এমন গুণের ফল ডাব, আনারস এবং বাঙ্গি-ও। পেয়ারা, পেপে এবং কলা মধুমাসের ফল হলেও এসবের কিছু জাত সারা বছর বাজারে মিলছে বেশ অনেক বছর ধরে। তবে স্বাদে ভিন্নতা থাকে।

অপ্রচলিত ফলের মধ্যে জাম, আতা, সফেদা, করমচা, কামরাঙ্গাও মেলে এসময়। শুধু স্বাদে নয় এসব ফলের পুষ্টি গুণ ব্যাপক, জানান পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা।
 

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্পানের মাঝি হওয়াও ছিল বড় পেশা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনপদগুলোতে কৃষিকাজ বা মাছ ধরার পাশাপাশি বড় পেশা ছিল সাম্পানের মাঝি হওয়া। তাই একসময় বিপুল জনগোষ্ঠীর...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is