ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-17

, ১৭ মহররম ১৪৪১

পানিতে ডুবে শিশু-মৃত্যু প্রতিরোধে প্রয়োজন সরকারি সহায়তা

প্রকাশিত: ০৯:১০ , ০৫ মে ২০১৯ আপডেট: ০২:৩৮ , ০৫ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: পানিতে ডুবে শিশু-মৃত্যু প্রতিরোধে বৈদেশিক সাহায্যে দেশের বেসরকারি একটি সংস্থা কাজ করছে। শিশুদের শেখাচ্ছে সাঁতার। এছাড়াও আছে শিশুদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টারÑআঁচল। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের তালিকায়, তাই এমন কাজে প্রয়োজন সরকারি সহায়তা। নইলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে পানিতে ডুবে শিশু-মৃত্যু প্রতিরোধের চলমান কার্যক্রমও।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা- দি সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ ১ যুগের বেশি সময় ধরে পানিতে ডুবে শিশু-মৃত্যু প্রতিরোধে সাঁতার প্রশিক্ষণ শেখাচ্ছে শিশুদের। শহরের মধ্যে ভ্রাম্যমাণ সুইমিং পুল তৈরি করে সাঁতার শেখায়। ৩০ সেকেন্ড গভীর পানিতে ভেসে থাকতে পারলে এবং ২৫ মিটার সাঁতার কাটতে পারলেই প্রশিক্ষণ শেষ হয় বলে জানান প্রশিক্ষকরা। 
গ্রামেও স্থানীয়দের সহায়তায় পুকুরে মাঁচা করে শিশুদের সাঁতার প্রশিক্ষণ চলে। 
দিনের যে সময়ের ভেতর পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটে সেই সময়ের জন্য শিশুর যতœ কেন্দ্র খুলেছে যার নাম আঁচল। সেখানে একজন প্রশিক্ষক শিশুদের প্রাথমিক কিছু শিক্ষাসহ- পানিতে ডুবে গেলে শুরুতে কিভাবে চিকিৎসা করাতে হবে সেই প্রশিক্ষণও দেন।
এসব উদ্যোগের সুফলভোগীরা খুশী। তবে, এমন কার্যক্রম খুব সীমিত জায়গায় চলছে। প্রয়োজন সারা  দেশের স্কুলগুলোতে।
বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় পড়ায় এ ধরনের সমাজসেবামূলক কাজে বৈদেশিক আর্থিক সহায়তা কমে আসছে। ভবিষ্যতে সরকারিভাবে উদ্যোগ না নেয়া হলে পানিতে ডুবে শিশু-মৃত্যু প্রতিরোধ কঠিন হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক এ.এইচ.এম এনায়েত হোসেন বলেন, বিষয়টি একক কোন মন্ত্রণালয়ের নয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকারি কর্ম পরিকল্পনার মধ্যে অন্তর্ভূক্ত করেছে।
তিনি আরো জানান, এ বিষয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে একসাথে কাজ করতে হবে। 
 

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্পানের মাঝি হওয়াও ছিল বড় পেশা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনপদগুলোতে কৃষিকাজ বা মাছ ধরার পাশাপাশি বড় পেশা ছিল সাম্পানের মাঝি হওয়া। তাই একসময় বিপুল জনগোষ্ঠীর...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is