শিশুদের সাঁতার শেখানোসহ ব্যাপক প্রশিক্ষণ দরকার 

প্রকাশিত: ০৯:০৩, ০৫ মে ২০১৯

আপডেট: ০২:৩৮, ০৫ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশেষ ব্যতিক্রম ছাড়া গণমাধ্যমেও পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু একটি অগুরুত্বপূর্ণ খবর। দৃষ্টি আকর্ষণ করে না কারও। গেল এপ্রিল মাসেই এমন বেশ-কয়েকটি ঘটনার খবর মেলে। যার বেশিরভাগই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের। অভিভাবকরা জানান, শুধুমাত্র দেখভালের অভাবেই প্রিয় সন্তানকে হারাতে হয়েছে।
নদী, খাল, বিল, পুকুর, জলাশয়ের জেলা বরিশাল। গেল ১৬ই এপ্রিল দুুপুর ১টায় বরিশালের কালিকাপুর গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে মারা যায় দুই কন্যা শিশু ইভা আক্তার ও রাইশা আক্তার। তারা মামাতো-ফুফাতো বোন। স্থানীয়রা জানান, তারা বাড়ির পাশেই পুকুরের কাছে খেলা করছিলো।
তার পরদিন ১৭ এপ্রিল বিকেলে শরীয়তপুর সদর উপজেলার বাইশরশি এলাকায় দুই চাচাত ভাই তাহসিন ও তামজিদ পানিতে ডুবে মারা যায়। তারা দুপুরে খেলার সময় পুকুরে পড়ে যায় বল। তুলতে গিয়ে পানিতে ডুবে যায় ৫ বছরের তাহসিন। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে পানিতে ডুবে যায় ৬ বছরের শিশু তামজিদও।
এর তিনদিন পর ২১ এপ্রিল দুুপুরে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ এলাকায় পদ্মা নদীতে গোসল করতে গিয়ে একসঙ্গে তিন বোন মারা যায়। তাদের মধ্যে জিম ও এশা সহদোর আর শিপ্রা তাদের চাচাতো বোন। এক সঙ্গে দুই সন্তান হারিয়ে পাগল প্রায় বাবা-মা।
চিকিৎসকরা জানান, অধিকাংশ সময় এমন ঘটনায় পেটে পানি ঢুকেছে মনে করে ভুল চিকিৎসাও করা হয়। 
প্রকৃতপক্ষে শ্বাসযন্ত্রে পানি ঢুকলেই মৃত্যু হয়। তারা বলেন, ৮ মিনিটের মধ্যেই শ্বাসযন্ত্রকে কার্যকর করতে পারলে অনেক মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব।
পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে প্রত্যেকের সচেতনতা সবচে জরুরি। শিশুদের সাঁতার শেখানোসহ জীবন রক্ষার পদ্ধতিরও ব্যাপক প্রশিক্ষণ দরকার।

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *