শিল্পীদের শিল্পকর্ম আর হৃদয়ে বেঁচে আছে মডেলরা 

প্রকাশিত: ১০:১৩, ০৪ মে ২০১৯

আপডেট: ১২:৩৩, ০৪ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা চারুকলায় পুরুষ মডেলদের মধ্যে মধ্যমণি যেন হাসান আলী। কিন্ত সবাই, তাকে ‘পালগা’ নামে চেনে। বয়সের কারণে আর মডেলি হন না। ফিরে গেছেন গ্রামে। 
শিল্পীদের চোছে এই পুরুষটি নাকি দেখতে খ্যাপাটে পাগলের মত। তাই ঢাকা চারুকলায় যখন মডেল হতে শুরু করে তখন শিল্পীরাই মজা করে একটু ঘুরিয়ে হাসান আলী’র নাম দেয়ে “পালগা।” এই পরিচয়ে তার কোন আক্ষেপ নেই।  
১৯৯৫ সালে ময়মনসিংহের প্রত্যন্ত এক গ্রাম থেকে ঢাকার মিরপুরে শাহ্ আলীর মাজার দেখতে এসেছিলেন হাসান আলী ওরফে পালগা। তার বাউল ঘরানার সাজ-পোষাক চারুকলার কয়েকজন ছাত্রের নজর কাড়ে। তাদের ইচ্ছায় আসেন চারুকলায়। তারপর থেকে শিল্পীদের ক্যানভাস ও ভাস্কর্যময় জীবন হয়ে ওঠে তার। 
চারুকলায় মডেল হিসেবে স্থায়ী নিয়োগ না পেলেও পালগা মনে করেন জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় তিনি এখানেই কাটিয়েছেন।
বয়সের ভারে আগের মতো একটানা ঘণ্টার পর ঘণ্টা মডেল হতে পারেন না। তাই ছেড়েছেন প্রিয় কাজ, ফিরে গেছেন ময়মনসিংহে নিজ গ্রামে। তবে পালগার ছেলেকে চারুকলায় সহকারীর চাকরি দিয়েছেন শিক্ষক-শিল্পীরা।  
সত্তর বছরের চারুকলায় বহু মডেল হারিয়ে গেলেও শিল্পীদের শিল্পকর্ম আর হৃদয়ে বেঁচে আছে তারা। তেমনি মডেলরাও সামান্য অর্থের বিনিময়ে তাঁদেরকে এঁকে শিল্পীদের খ্যাতি আর বিপুল অর্থ আয়ের কথা জেনেও কোন আক্ষেপ করে না। 
তবে অনেক শিল্পী মনে করেন চারুকলায় সব মডেলদের তথ্য ভাণ্ডার রাখতে পারলে, তা দেশে শিল্প কর্মের অগ্রযাত্রার ইতিহাস সংরক্ষণকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারতো। 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *