চারুশিল্প জগতে গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু অনালোচিত মডেলরা

প্রকাশিত: ১০:০৯, ০৪ মে ২০১৯

আপডেট: ০১:৫৪, ০৪ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: জগতজুড়েই চারু শিল্পীরা তাদের শিল্প শিক্ষায় মডেল হিসেবে বহু নারী ও পুরুষকে ব্যবহার করেন। দেশেও তার ব্যতিক্রম নয়। এমন অনেক নারী-পুরুষের জীবন কাটে শুধুই চারু শিল্পীদের মডেল হয়ে। নানান ভাবে তাদের এঁকে বা ভাস্কর্য বানিয়ে দেশে বিদেশে সুনাম কুড়ায় শিল্পীরা, আয় করেন বিপুল অর্থ। কিন্তু সেই মডেলদের জীবনের কথা আলোচিত হয় না কখনও। 
ঝকমকে র‌্যাম্প ও বাহারি বিজ্ঞাপনের আকর্ষনীয় মডেলদের ঠিক বিপরীত জীবন চারুশিল্পের মডেলদের। সাধারণের অচেনা, অপরিচিত জগতের মানুষ। দারিদ্র পীড়িত, সামান্য উপার্জনের জীবন, কিন্তু চারুশিল্প শিক্ষায় এবং শিল্পী তৈরিতে তাদের অবদান অমূল্য। 
দেশের সবচে পুরানো চারুশিল্প শিক্ষালয় ঢাকা চারুকলা। যুগে যুগে বহু নারী পুরুষ এখানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের ক্ষন্ডকালীন  মডেল হয়েছে। কয়েক দশক আগে একজন নারী ও একজন পুরুষকে স্থায়ী মডেল হিসেবে নিয়োগও দেয়, তারা এখন আর মডেলিং করেন না। শিক্ষার নির্ভরতা অনিয়মিত মডেলদের ওপর। 
নানা বাস্তবতায় অনিয়মিত, খন্ডকালীন, ব্যক্তিগত মডেল দিয়েই মূলত এখনও শিল্প শিক্ষা চলে ঢাকা চারুকলায়। যাদের তিনজনের নামই ফাতেমা। তাদের মধ্যে বয়জেষ্ঠ ফাতেমা বেগম সাম্প্রতিক বছরে মারা যান। চারুকলার সাথে প্রায় তিন দশকের সম্পর্ক ছিল তার। কিন্তু তাঁকে আঁকা চিত্রকর্ম ও নির্মিত কয়েকটি ভাস্কর্য আজও তাঁর অস্তিত্ব টিকিয়ে রেকেছে চারুকলায় ও শিল্পীদের মাঝে। 
এই নারীর নামও ফাতেমা বেগম, যিনি আজও মডেল, তার বয়স ৫৮ বছর। ১৯৯৫ সালে চারুকলায় স্বামীর খোঁজে এসে হয়ে ওঠেন মেেডল। 
বয়স বাড়লে এই মডেলদের কাজের সুযোগ কমে। 
এই মডেলদের এঁকে এঁকে হাত পাকানো চারুকলার অনেক শিক্ষার্থী এখন শিক্ষক, স্বনামখ্যাত শিল্পী। তাই তাদের কাছে মডেলদের স্থান ভিন্ন। 
এক সময় নিতান্ত পেটের দায়ে চারুশিল্পী ও শিক্ষার্থীদের মডেল হয়েছে তারা। এখানে উপার্জন খুবই কম স্বত্বেও এই শিল্প জগতের সাথে মায়ার জালে জড়িয়ে যায় যেন তাদের জীবন।  কষ্টের জীবন নিয়ে পড়ে থাকে এখানেই। 


 

এই বিভাগের আরো খবর

স্কোয়াশ খেলার কোর্ট তৈরি করতে পারেনি 

এস.এম সুমন: প্রতিষ্ঠার পর ৪৪ বছরে...

বিস্তারিত
স্কোয়াশ খেলা: প্রতিযোগিতা হয় কালেভদ্রে

এস.এম সুমন: পশ্চিমা দেশগুলোর আদলে...

বিস্তারিত
রোয়িং খেলোয়াড় ও সংগঠকরা হতাশ

তৌহিদুল আলম: নিজেদের খেলা চর্চা করারই...

বিস্তারিত
রোয়িং: মনের টানে খেলেন ক্রীড়াবিদরা 

তৌহিদুল আলম: আর্থিক সঙ্কট ও পর্যাপ্ত...

বিস্তারিত
রোয়িং: ৪৫ বছরেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য নেই 

তৌহিদুল আলম: প্রতিষ্ঠার  ৪৫ বছর...

বিস্তারিত
রোয়িং: খেলাটি সম্পর্কে ধারণা প্রতিষ্ঠা হয়নি

তৌহিদুল আলম: পশ্চিমা দেশগুলোর আদলে...

বিস্তারিত
খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে শরীরগঠন ফেডারেশন

ইমদাদুল্লাহ বাবু: সরকার জনগণের প্রায়...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *