দেশের অমূল্য পুরাকীর্তি চলে যায় বিদেশে 

প্রকাশিত: ১০:৩১, ০৩ মে ২০১৯

আপডেট: ১২:০৬, ০৩ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে অ্যান্টিক কেনা বেচার নিয়ম না থাকলেও দৃশ্যত এবং গোপনে একে ঘিরে গড়ে উঠেছে বেশ বড় বাজার, যার সিংহভাগ ক্রেতাই বিদেশি পর্যটক বা বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিক। দেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন সংগ্রহকারীদের অনেকের সাথে থাকে কালোবাজারিদের যোগাযোগ। যাদের হাত ঘুরে কখনো বৈধ আবার কখনো অবৈধ পথে দেশের অমূল্য পুরাকীর্তি চলে যায় বিদেশে। 
রাজধানীর গুলশান দুই নম্বরে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন মার্কেটের অ্যান্টিক ব্যবসায়ি মোহাম্মদ নাসিম আলম। তিন প্রজন্ম ধরে পুরাকীর্তি নিদর্শন বেঁচাকেনার সাথে জড়িত তার পরিবার। প্রাচীন পাথরের মূর্তি, মুদ্রা, ঘড়ি, কাঠের আসবাবসহ দেশ বিদেশ থেকে সংগ্রহ করা অমূল্য বিভিন্ন পুরাকীর্তি এবং এসবের রেপ্লিকা বিক্রি করছেন তার দোকানে।
পুরাকীর্তি বিক্রি করা আইননত দন্ডনীয়, এমন প্রশ্নের প্রেক্ষিতে রয়েছে তার নিজস্ব উত্তর।=
রাজধানীর ডিএনসিসির এই মার্কেটেই গড়ে উঠেছে দেশের অ্যান্টিক সামগ্রি বেঁচা কেনার সবচেয়ে বড় বাজার। শাহবাগের কাছে পুরানো সাকুরা মার্কেটে অ্যান্টিক সামগ্রীর কয়েকটি দোকান ছিল। যা বেশ কয়েকমাস আগে বন্ধ হয়ে যায়। তবে অ্যান্টিক ডাক টিকিট নিলাম হয় গুলিস্তানের হকি স্টেডিয়ামে। 
দেশের অ্যান্টিক বাজারের আকার কত টাকা সমমূল্যের সেই সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিতে পারেন না খোদ পুরোকীর্তি বিশারদরাও। এই বাজারে শুধু রেপ্লিকা বিক্রির কথা থাকলেও অমূল্য সব আসল পুরাকীর্তিও পাওয়া যাচ্ছে।
পুরাকীর্তি গবেষকরা জানান, অ্যান্টিকের সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপ কেন্দ্রীক। একটি বড় সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী দেশের এসব মহামূল্যবান সম্পদ ভারত হয়ে পাচার করে দিচ্ছে ইউরোপে।
গেল কয়েক দশকে অনেক মূল্যবান নিদর্শন খোয়া গেছে জাদুঘর থেকে। আবার এমনও অনেক নিদর্শন আছে যা খনন করে উদ্ধারের পরই হাতঘুরে পাচার হয়ে গেছে বিদেশে। যেসব নিদর্শন উদ্ধারে এখনও পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেয়নি প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর। এমনকি এসবের ঐতিহাসিক নিদর্শন কত দামে কেনা-বেচা হয় তা নিয়েও সবাই অন্ধকারে। তবে এই জনপদের প্রাচীন ঐতিহ্য ও সভ্যতা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন থেকে নতুন প্রজনগুলো বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

এই বিভাগের আরো খবর

স্কোয়াশ খেলার কোর্ট তৈরি করতে পারেনি 

এস.এম সুমন: প্রতিষ্ঠার পর ৪৪ বছরে...

বিস্তারিত
স্কোয়াশ খেলা: প্রতিযোগিতা হয় কালেভদ্রে

এস.এম সুমন: পশ্চিমা দেশগুলোর আদলে...

বিস্তারিত
রোয়িং খেলোয়াড় ও সংগঠকরা হতাশ

তৌহিদুল আলম: নিজেদের খেলা চর্চা করারই...

বিস্তারিত
রোয়িং: মনের টানে খেলেন ক্রীড়াবিদরা 

তৌহিদুল আলম: আর্থিক সঙ্কট ও পর্যাপ্ত...

বিস্তারিত
রোয়িং: ৪৫ বছরেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য নেই 

তৌহিদুল আলম: প্রতিষ্ঠার  ৪৫ বছর...

বিস্তারিত
রোয়িং: খেলাটি সম্পর্কে ধারণা প্রতিষ্ঠা হয়নি

তৌহিদুল আলম: পশ্চিমা দেশগুলোর আদলে...

বিস্তারিত
খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে শরীরগঠন ফেডারেশন

ইমদাদুল্লাহ বাবু: সরকার জনগণের প্রায়...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *