জাতীয় জাদুঘর থেকে নানা সময়ে খোয়া গেছে বহু নিদর্শন 

প্রকাশিত: ১০:২৯, ০৩ মে ২০১৯

আপডেট: ১২:০৫, ০৩ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: অমূল্য নিদর্শন, পুরাকীর্তি চুরির জন্য অতীতে বহুবার আলোচনায় উঠে এসেছে জাতীয় জাদুঘর। স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত কত নিদর্শন খোয়া গেছে, তার কয়টি উদ্ধার হয়েছে তা জানার চেষ্টা চালালেও পাওয়া যায়নি জাদুঘরের কোন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে। তবে প্রতœতত্ত্ব নিয়ে যারা গবেষণা করেন তাদের পর্যবেক্ষণ, এসব চুরির সাথে প্রশাসনিক পর্যায়ের কর্তাব্যক্তিরাই জড়িত।   
ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিগত ভাবে এই বাংলা কতটা সমৃদ্ধ ছিল তা বোঝা যায় শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরে গেলে। দেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে বিভিন্ন সময় খনন করে পাওয়া বিষ্ণু, শিবের মূর্তি বা প্রাচীন সভ্যতা উয়ারি বটেশ্বর থেকে প্রাপ্ত এসব দুর্লভ পটারি- তৈজসপত্র তারই সাক্ষ্য বহন করে।
দেশে পুরাকীর্তি নিয়ে যারা গবেষণা করেন তাদের মুখে শোনা যায় সেই সময়কার বাংলার ঐতিহ্য এবং প্রাচুর্য্যের গল্প।
মূল্যবান সম্পদের সংগ্রহশালা হওয়ায় জাতীয় জাদুঘরে এসব পুরাকীর্তি যে পরিমান সুরক্ষিত থাকার কথা, তা কখনোই ছিল না। ১৯৮১, ১৯৮২, ১৯৯১ এবং ২০০৯ সালে  জাতীয় জাদুঘর থেকে খোয়া যায় গণেশ, শ্যামতারা, বিষ্ণু, বামন, সরস্বতীর মত কালো পাথরের প্রাচীন মূর্তি থেকে শুরু করে মূল্যবান খাবার পাত্র, দীঘাপাতিয়ার মহারাজার ব্যবহার করা সিংহমূর্তি আকৃতির সিংহাসনের হাতল এবং ২ টি স্বর্ণপদক ও ২৪টি ব্রোঞ্জের মুদ্রা। ২০১০ সালের মার্চে চতুর্থ তলা থেকে চুরি হয় ১৪টি পুরার্কীতি। চুরি হওয়া পুরার্কীতিগুলো ছিলো ঢাকার ভাওয়াল জমিদার এস্টেটের অমূল্য সম্পদ। এর আগে ফ্রান্সের গিমে মিউজিয়ামে পাঠানোর সময় চুরি হয় ২৬টি পুরার্কীতি। এসবের কিছু ভাঙ্গা টুকরা পাওয়া গিয়েছিলো ময়লার স্তুপে।
জাদুঘরসহ দেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে প্রাপ্ত নিদর্শনগুলো চুরির প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত রয়েছে বলে আশংকা করেন জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা। এসব নিদর্শন বিভিন্ন হাত ঘুরে স্থান পাচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকার জাদুঘর গুলোতে।

এই বিভাগের আরো খবর

স্কোয়াশ খেলার কোর্ট তৈরি করতে পারেনি 

এস.এম সুমন: প্রতিষ্ঠার পর ৪৪ বছরে...

বিস্তারিত
স্কোয়াশ খেলা: প্রতিযোগিতা হয় কালেভদ্রে

এস.এম সুমন: পশ্চিমা দেশগুলোর আদলে...

বিস্তারিত
রোয়িং খেলোয়াড় ও সংগঠকরা হতাশ

তৌহিদুল আলম: নিজেদের খেলা চর্চা করারই...

বিস্তারিত
রোয়িং: মনের টানে খেলেন ক্রীড়াবিদরা 

তৌহিদুল আলম: আর্থিক সঙ্কট ও পর্যাপ্ত...

বিস্তারিত
রোয়িং: ৪৫ বছরেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য নেই 

তৌহিদুল আলম: প্রতিষ্ঠার  ৪৫ বছর...

বিস্তারিত
রোয়িং: খেলাটি সম্পর্কে ধারণা প্রতিষ্ঠা হয়নি

তৌহিদুল আলম: পশ্চিমা দেশগুলোর আদলে...

বিস্তারিত
খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে শরীরগঠন ফেডারেশন

ইমদাদুল্লাহ বাবু: সরকার জনগণের প্রায়...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *