বিএসটিআই'র মান যাচাইয়ের তালিকায় প্লাস্টিক নেই

প্রকাশিত: ১১:২০, ০২ মে ২০১৯

আপডেট: ১২:২৯, ০২ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় দেশে উৎপাদিত ১৮১টি এবং আমদানীকৃত ৫৬টি পণ্য বাজারজাতের আগে সরকারের মান নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ বিএসটিআই-এর অনুমোদন বাধ্যতামূলক। সেই তালিকায় প্লাস্টিক নেই। এর সুযোগ নিচ্ছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। তাই প্লাস্টিক পণ্যের মান নিয়ন্ত্রের তাগিদ দিচ্ছেন ভোক্তা ও বিশ্লেষকরা।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এ.এফ.পি’র একটি প্রতিবেদন বলছে, পৃথিবীজুড়ে  প্রতিবছর ৮ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক বর্জ্য সমুদ্রে পড়ছে। যার ফলে প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলারের সামুদ্রিক ইকোসিস্টেম ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। আনুমানিক ১ মিলিয়ন সামুদ্রিক পাখি, এক লক্ষ সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রানী ও অসংখ্য মাছ মারা যাচ্ছে।

গেলো শতাব্দির ৯০’এর দশকে শুধু রাজধানীতেই ৯৩ লাখ পলিথিন বর্জ্য হিসেবে ফেলা হতো। বর্তমানে যা বেড়ে প্রায় দ্বিগুন হয়েছে।

২০০২ সালে সরকার পলিব্যাগ ব্যবহার নিষিদ্ধ করে, কিন্তু সে আইনের বাস্তবায়ন নেই। বিশষজ্ঞরা বলছেন, প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে দরকার কঠোর নজরদারি। দেশে উৎপাদিত এবং বিদেশ থেকে আমদানীকৃত প্লাস্টিক পণ্যের মান যাচাই করে বাজারজাত করার দায়িত্ব নিতে হবে রাষ্ট্রকে। না হলে মারাত্বক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে আগামির প্রজন্ম।

শিশুদের খেলনা জাতীয় পণ্যের চাকচিক্য বাড়াতে ¯েপ্রর মাধ্যমে মেডিসিন ব্যবহার এবং একাধিকবার ব্যবহৃত প্লাস্টিক পন্য তৈরী বন্ধে সরকারী তদারকি চান বিশেষজ্ঞ পর্যবেক্ষকরা।

সরকারের মান নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ বিএসটিআই-এর কর্মকর্তা জানান, প্লাস্টিকের মান নির্ধারণের কাজ চলছে। শিগগিরই প্লাস্টিক পণ্য বিএসটিআইÑএর তালিকাভূক্ত হবার আশ্বাস দেন।

প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন ও বাণিজ্যে তদারকির পাশাপাশি এসবের ব্যবহারে জনসচেতনতা তৈরিও জরুরী বলছেন গবেষকরা।

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *