চট্টগ্রামে বৈশাখী অনুষ্ঠানে মানুষের ঢল

প্রকাশিত: ০৮:০৭, ১৪ এপ্রিল ২০১৯

আপডেট: ০৮:১৬, ১৪ এপ্রিল ২০১৯

বৈশাখী ডেস্ক: নতুন বছরকে বরণ করতে সারাদেশে চলছে নানা আয়োজন। ভোর থেকেই সব বয়সের মানুষের পদচারণায় উৎসবের স্থানগুলো ছিল রঙিন। চট্টগ্রাম নগরীর ডিসি হিল, সিআরবি, শিল্পকলা ও চারুকলা ইনিস্টিটিউটে চলছে বৈশাখী অনুষ্ঠান। এদিকে, নানা আয়োজনে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরেও উদযাপন করা হচ্ছে বাংলা নববর্ষ- ১৪২৬। জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে বের করা হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। 
বর্ষবরণ উদযাপন করা হচ্ছে কুমিল্লা, নাটোর, নওগাঁ, সাতক্ষীরা, নড়াইল, মেহেরপুর, গাইবান্ধা, নেত্রকোণাসহ দেশের নানা প্রান্তে।

চিরায়ত বাংলা গান, নাচ, আবৃত্তি, নাটক, কথামালায় বাংলা নববর্ষকে বরণ করা হচ্ছে চট্টগ্রাম নগরের ডিসি হিলে। 
সকালে সূর্যোদয়ের সময় শ্রুতিঅঙ্গনের ভৈরবী রাগে ধ্রুপদ পরিবেশনায়  'পহেলা বৈশাখ বাঙালির উৎসব সবার যোগে জয়যুক্ত হোক' স্লোগানে শুরু হয় ৪১তম বর্ষবরণ অনুষ্ঠান।

বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঢল নামে মানুষের। নানা বয়সী মানুষ বর্ণিল পাঞ্জাবি, শাড়ি, ফতুয়া, ত্রিপিস পরে ছুটে আসেন চট্টগ্রামের আদি বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে। আগের দিন রাতে নববর্ষের আল্পনায় রাঙানো হয়েছে ডিসি হিলের সামনের সড়কটি।

এবার নগর পুলিশের উদ্যোগে ডিসি হিলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে আসা দর্শকদের দেওয়া হচ্ছে বিশুদ্ধ পানি ও হাতপাখা। বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে গ্ল্যাক্সোজডি শরবত। বৈশাখী মেলায় রয়েছে শিশুদের জন্য নাগরদোলা।

রাগ সঙ্গীতে নববর্ষ আবাহনের পর শুরু হয় দলীয় পরিবেশনা। প্রথম অধিবেশনের তালিকায় আছে সংগীত ভবন, রক্তকরবী, জয়ন্তী, ছন্দানন্দ, গুরুকুল, সুর-সাধনা, সৃজামি, গীতধ্বনি, রাগেশ্রী, বংশী, খেলাঘর, প্রীতিলতা ও সপ্তডিঙা শিল্পাঙ্গন।

নৃত্য পরিবেশন করছে নটরাজ নৃত্যাঙ্গ, ওড়িশি অ্যান্ড টেগোর ডান্স মুভমেন্ট সেন্টার, স্কুল অব ওরিয়েন্টাল ডান্স, গুরুকুল, ঘুঙুর, সঞ্চারী, চারুতা, দি স্কুল অব ক্লাসিক্যাল অ্যান্ড ফোক ডান্স, নৃত্য নিকেতন ও কৃত্তিকা নৃত্যালয়।

আবৃত্তি পরিবেশন করছে বোধন, প্রমা, উচ্চারক, নরেন ও শৈশবের আবৃত্তি দল।

বেলা ২টা থেকে শুরু হবে দ্বিতীয় অধিবেশন। এবার দৃষ্টিনন্দন বাঙালিয়ানায় মঞ্চ ডিজাইন করেছেন রেজাউল করিম রেজা।

নাট্যজন ও সংগঠক আহমেদ ইকবাল হায়দার জানান, ডিসি হিলে এবার ৪১তম বর্ষবিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান হচ্ছে। আমরা এখন থেকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে এগোনোর পরিকল্পনা করছি। সম্মিলিত পহেলা বৈশাখ উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রামের ব্যানারে বছরজুড়ে প্রশিক্ষণসহ অনুষ্ঠান আয়োজন করতে চাই।

নগর পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান জানান, ডিসি হিল ও সিআরবি মিলে ৫ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। চার স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের ভেন্যুগুলোতে। আগত দর্শক-শ্রোতাদের নিরাপত্তার জন্য প্রবেশমুখে তল্লাশি ও আর্চওয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। 

এই বিভাগের আরো খবর

নড়াইলে পান চাষে লাভবান কৃষকরা

নড়াইল প্রতিনিধি: অনুকূল আবহাওয়ায়...

বিস্তারিত
টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: দূষণের কারণে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *