ই-বর্জ্য অপসারণ নিয়ে সরকার কাজ করছে আপডেট: ০৫:১৩, ১৮ মে ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদন: ই-বর্জ্যের ক্ষতির প্রভাব আপাতভাবে দৃশ্যমান নয়। অন্যদিকে, এর ফলে সৃষ্ট শারীরিক জটিলতার কারণটাও সরাসরি বুঝতে না পারায় এ বর্জ্য অপসারণ নিয়ে উদাসীনতা এখনো রয়েছে বলে পর্যবেক্ষদের ধারণা। তবে কয়েকটি দেশ ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে চায়। সরকার ই-বর্জ্য অপসারণের বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
 
দেশব্যাপী সাধারণ মানুষের মধ্যে ই-বর্জ্য নিয়ে অসচেতনতা ও উদাসীনতা থাকলেও প্রযুক্তি পরিবেশ ও স্বাস্থ্য খাতের কিছু বিশেষজ্ঞ এর অব্যবস্থাপনার বিপদ জানেন। তাঁদের মতে, এখনই  ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এ সংক্রান্ত  ঝুঁকি সামাল দেয়া কঠিন হবে। 

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তফা জব্বার বলেন, ই-বর্জ্য নিয়ে অদূর ভবিষ্যতে যখন কঠিন সংকটের মুখোমুখি হবো, তখন হয়তো বলবো, কাজটা তো খুব খারাপ হয়ে গেছে, এখন কী করা যায়? আমরা সময় থাকতে ভবিষ্যতের জন্যে পদক্ষেপ নিতে পারি না, এটাই আমাদের প্রধান সমস্যা বলে তিনি মন্তব্য করেন।   

বিপুল পরিমাণ ই-বর্জ্য একদল অসচেতন ও অদক্ষ শ্রমিক-কর্মীর হাত ঘুরে পুনর্ব্যবহার হওয়ায়  অনেকের ধারণা, এসবে বিপদ নেই। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ এই যে, পুনর্ব্যবহার প্রক্রিয়া যথাযথ না হওয়ায় সেসব ই-বর্জ্য থেকে তৈরি নতুন সামগ্রী আদৌ স্বাস্থ্যসম্মত কিনা, সেই প্রশ্ন ও সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। 

যথাযথ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও এর বাস্তবায়নসম্মত নীতিমালা ও বিধিবিধান প্রণয়ন ও তা গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত সঠিকভাবে কার্যকরের তাগিদ দিলেন বিশেষজ্ঞরা। 

আহসানউল্লাহ্ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ ম ম শফিউল্লাহ্ বলেন, প্রধান শহরগুলোতে যদি ওয়েস্ট ইনভেন্টরি করা হয়, তা হলে এটার ভয়াবহতা কী হারে বাড়ছে, সে-সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যাবে। 

পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মাসুদ ইকবাল শামিম বলেন, বর্জ্য কীভাবে কমানো যায়, কীভাবে পুনর্ব্যবহার করা যায়, এবং সেগুলো কীভাবে রিসাইকল করতে পারি, এরকম একটা নীতি ঠিক করা হয়েছে।  

আরো পড়ুন: 

অসচেতনভাবে ই-বর্জ্য ব্যবহার নানামুখি স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে 

ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বহুল ব্যবহারে বাড়ছে ই-বর্জ্যের পরিমাণ 

ঝুঁকিপূর্ণ ই-বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা জরুরি 

 

Publisher : Jyotirmoy Nandy