ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৫ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-20

, ৯ মহাররম ১৪৪০

ঝুঁকিপূর্ণ ই-বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা জরুরি

প্রকাশিত: ০৫:২০ , ১৮ মে ২০১৭ আপডেট: ০৫:২০ , ১৮ মে ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদন: বর্জ্যস্তূপে প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে বিপুল পরিমাণ ই-বর্জ্য। সাধারণ অনেক বর্জ্যের তুলনায় ই-বর্জ্য  বহুমুখী ঝুঁকির তৈরি করে। তাই এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা জরুরি। অথচ দেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বলতে কিছূ নেই। যথেচ্ছভাবে এসব বর্জ্য কীভাবে কোথায় যাচ্ছে সুনির্দিষ্টভাবে কারোরই জানা নেই।

রাজধানীর পল্টনের ও অন্যান্য স্থানের বিভিন্ন দোকানে প্রতিদিনই বেশ কয়েক ধরণের কিছু না কিছু অকেজো ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী আসে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকে। মেরামত অযোগ্যগুলো থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করে বাকিগুলো ফেলে দেয় যখন যেভাবে যার মন চায়। 

দেশ জুড়ে এ ধরণের অসংখ্য দোকান আছে যারা ই-বর্জ্য ফেলে দিচ্ছে যেনতেনভাবে। দেশে প্রতিদিন, প্রতিমাসে বা  প্রতিবছর কি পরিমাণ ই-বর্জ্য তৈরি হচ্ছে, তার কোনো গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে তৈরি হিসাব সরকারি-বেসরকারি কোনো উদ্যোগে কখনও করা হয়নি। একটি বেসরকারি সংস্থা তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে কিছু পরিসংখ্যান দিয়ে থাকে, যেগুলো নিয়ে আপত্তি ও বিতর্ক রয়েছে। 

দেশে ই-বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নেই। সাধারণ মানুষ প্রচুর ই-বর্জ্য যথেচ্ছভাবে ভূমিতে এবং পানিতে ফেলে দিচ্ছে, এগুলোর সঠিক ব্যবস্থাপনা ও ভবিষ্যত পরিণতি সম্পর্কে সঠিক কোনো ধারণা না থাকায়।

অন্যদিকে যেসকল ই-বর্জ্য ডাস্টবিনে ফেলা হয়, সেগুলো সেখান থেকে খুঁজে কুড়িয়ে নেয়ার জন্য আছে বহু সংগ্রহকারী। তাদের হাত ঘুরে যায় ঢাকা শহরের ভাঙ্গারি দোকানগুলোতে। 

ভাঙ্গারি দোকানগুলো থেকে ই-বর্জ্য আসে বুড়িগঙ্গা নদীর পাশে ইসলামবাগের কিছু দোকানে। নৌকা করেও নদীপথে নানা গন্তব্যে থেকে এখানে আসে ই-বর্জ্য। প্রকৃতিভেদে আলাদা করার পর এগুলো নতুন নতুন গন্তব্যে যায় ক্রেতাদের হাত ধরে। 

২০১৪ সালে জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত জরিপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সবচেয়ে বেশি ই-বর্জ্য উৎপাদনকারী দেশ বলা হয়। যেখানে ভারতের স্থান ৫ম। এই তালিকায় বাংলাদেশের নাম ছিল না।

আরো পড়ুন: 

ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বহুল ব্যবহারে বাড়ছে ই-বর্জ্যের পরিমাণ 

অসচেতনভাবে ই-বর্জ্য ব্যবহার নানামুখি স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে  

ঝুঁকিপূর্ণ ই-বর্জ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা জরুরি

 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is