ঢাকা, শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

2019-08-23

, ২১ জিলহজ্জ ১৪৪০

এফআর টাওয়ারে আগুনের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত দল 

প্রকাশিত: ০২:১৬ , ২৯ মার্চ ২০১৯ আপডেট: ০২:১৬ , ২৯ মার্চ ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: বনানীর এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ আগুন ও হতাহতের কারণ অনুসন্ধানে কাজ শুরু করেছে তদন্তকারীরা। এ ঘটনায় গঠিত সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও তদন্ত কমিটির প্রতিনিধিরা ভবনটি পরিদর্শন করেন। ঢাকার সব বহুতল ভবনের নকশা, অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ১০ দিনের মধ্যে জমা দিতে নির্দেশ দেন গণপূর্ত মন্ত্রী এবং ঢাকা উত্তরের মেয়র। গৃহায়ণমন্ত্রী বলেন, এটা দুর্ঘটনা বা গাফিলতি নয়, হত্যাকাণ্ড। 
পুরান ঢাকার নিমতলী থেকে চকবাজারের চুড়িহাট্টা, এরপর আধুনিক নতুন ঢাকার অভিজাত বনানীর বহুতল ভবনের ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ও হতাহত। সব ঘটনায় জানান দিচ্ছে- রাজধানীর বেশিরভাগ ভবন রয়েছে অগ্নি ঝুঁকিতে। বানানীর এফ আর টাওয়ারের অগ্নিকান্ডের পর কাজ শুরু করেছে একাধিক তদন্ত দল। 
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ- রাজউক, সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সবগুলো সংস্থার প্রতিনিধিরা বনানীর ক্ষতিগ্রস্ত ভবন পরিদর্শন করেন। এ সময় ঢাকা  উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এখন সসময় এসেছে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার। ১০ দিনের মধ্যে সিটি করপোরেশনের আওতায় ভবনের অনুমোদন, নকশা, ফায়ার সেফটি, বিল্ডিং সেফটির অনুমোদনের কাগজ জমা দিতে নির্দেশ দেন তিনি। 
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম জানান, ১৮ তলার অনুমোদন নিয়ে কিভাবে ২৩ তলা ভবন করা হলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।  এসময় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, এই অগ্নিকান্ড কোন দুর্ঘটনা নয়। তদন্ত করে দায়িদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনের মামলা করা হবে।
এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গণফোরাম সভাপতি ডক্টর কামাল হোসেন, রাজধানীর বহুতল  ভবন তৈরিতে প্রয়োজনীয় আইন মানা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে জাতীয় কমিশন গঠনের দাবি জানান তিনি।  
নকশা মেনে ভবন তৈরি না করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান গণফোরাম সভাপতি। 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is