ঢাকা, রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৫

2019-03-24

, ১৭ রজব ১৪৪০

ফার্মের মুরগি-ডিম উৎপাদন দ্বিগুণ হলে দেশের চাহিদা মিটবে

প্রকাশিত: ০৪:৫৫ , ১৫ মে ২০১৭ আপডেট: ০৪:৫৫ , ১৫ মে ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে এখন দিনে দুই কোটির বেশি ফার্মের ডিম উৎপাদন হয়। উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য আগামী চার বছরে তা দ্বিগুণ করা। একইভাবে এখন প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার টন ফার্মের মুরগির মাংস উৎপাদন হচ্ছে। এর পরিমাণও দ্বিগুণ করতে চান ব্যবসায়ীরা। তাদের দৃষ্টি এখন দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশের বাজারে রপ্তানি করা।

পোল্ট্রি শিল্পে একসময় খামারের সংখ্যা বেড়ে দেড় লাখে উন্নীত হয়েছিলো। নানান রোগে বিপদগ্রস্ত হয়ে বহু খামার বন্ধ করতে হয়েছে। এখন আছে প্রায় ৭০ হাজার। উদ্যোক্তারা বলছেন, খামারের সংখ্যা কমলেও বিনিয়োগের অর্থ বিবেচনায় এই শিল্প বড় হয়েছে। উৎপাদনের পরিসংখ্যানও উর্ধ্বমুখী।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৬-০৭ সালে বছরে পোল্ট্রি মুরগির সংখ্যা ছিলো ২০ কোটি ৬৮ লাখ, ২০১৫-১৬ সালে তা দাঁড়ায় ২৬ কোটি ৪৩ লাখ। অন্যদিকে ২০০৬-০৭ সালে বছরে ডিম উৎপাদন হতো সাড়ে পাঁচশ কোটি, আর ২০১৫-১৬ সালে উৎপাদন হয় ১ হাজার ১শ ৯১ কোটি। সে হিসেবে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৮শ মেট্রিক টন মাংস, আর প্রায় সোয়া ২ কোটি ডিম উৎপাদিত হচ্ছে।

উৎপাদিত মাংস ও ডিমের গোটা বাজারই এখন দেশে। বন্ধ হয়ে যাওয়ার রপ্তানির দ্বার আবার খুলতে চায় উৎপাদনকারীরা।

দিনে আড়াই কোটি ডিম, ২ হাজার টন মুরগির মাংস, তারপরও দেশে চাহিদার তুলনায় এ উৎপাদন কম। এ বাস্তবতায় উৎপাদন বৃদ্ধির নতুন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছেন উদ্যোক্তারা।

উদ্যোক্তাদের ভাষ্য অনুৃসারে উৎপাদনের নতুন লক্ষ্য অর্জন করতে হলে বিনিয়োগ কয়েকগুণ  বাড়াতে হবে। প্রয়োজন হবে বিপুল সংখ্যক কর্মী।

এই বিভাগের আরো খবর

বিশ্ব আবহাওয়া দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ বিশ্ব আবহাওয়া দিবস। প্রতিবছর বাংলাদেশসহ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ১৯৩টি সদস্য দেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ২৩ মার্চ বিশ্ব...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is