ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮, ৩০ কার্তিক ১৪২৫

2018-11-14

, ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

তথ্য প্রযুক্তি পালটে দিয়েছে দেশবাসীর জীবনচিত্র

প্রকাশিত: ০৮:১৫ , ১৪ মে ২০১৭ আপডেট: ০৮:১৫ , ১৪ মে ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদন: একসময় তথ্যের খোঁজে ছুটতো মানুষ। যুগ পাল্টে এখন তথ্য ছুটে আসে হাতের মুঠোয়। এই পাল্টে যাবার গল্প তৈরি হয়েছে তথ্য প্রবাহে প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ায়। উন্নত বিশ্ব পাল্টেছে আরো অনেক আগেই, দেশে তা দেরিতে হলেও দ্রুতই ঘটছে এই পরিবর্তন। পাল্টে যাচ্ছে পুরনো অনেক চেনা দৃশ্য, পাল্টাচ্ছে মানুষের জীবন। 
 
তথ্যে মানুষের কৌতুহল একটি সহজাত প্রবৃত্তি। আদিম কালে যখন শিকার-নির্ভর জীবন ছিলো তখনও শিকার অভিযানের আগে চাই প্রয়োজনীয় তথ্য। শিকার যুগের পর কৃৃষি চর্চায়ও চাই তথ্য। সভ্যতার বিকাশ থেকে শুরু করে বর্তমান অবধি যেকোনো কাজে বা প্রয়োজনে মানুষের তথ্য জানার আগ্রহ ও প্রয়োজনীয়তা কেবল বাড়ছেই। শুধু তথ্যের প্রবাহে নতুন প্রযুক্তির আবির্ভাব আমুল পাল্টে দিয়েছে তথ্য জগতের অতীতের চেনা চেহারা। 

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড সার্ভিসেস (বেসিস)-এর সভাপতি মোস্তাফা জব্বার বলেন, "আমরা ১৯৬৪ সালে পরমাণু শক্তি কমিশনে প্রথম বাংলাদেশের কম্পিউটারটা পাই, যেটা উপমহাদেশে বা দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম কম্পিউটার ছিলো। বস্তুতপক্ষে, ১০৮০'র দশকের শুরুতে যখন আইবিএম পিসি আসে, তারপর থেকেই আসলে মানুষ কম্পিউটার ব্যবহার করা শুরু করে আমাদের এখানে। তবে সেটাও খুব সীমিত পর্যায়ে ছিলো।"     

প্রায় তিন দশক ধরে এই পরিবর্তন দেশের মানুষকে তথ্য প্রযুক্তিসহ নানা নতুন শব্দ ও চর্চার সাথে পরিচিত করতে শুরু করে। তবে ১৯৯০-এর দশকের শেষের দিকে ইন্টারনেটের ব্যবহার সাধারণের দোরগোড়ায় যাওয়া শুরু করলে তথ্য প্রযুক্তি পাল্টাতে শুরু করে দেশের মানুষের জীবন। ২০০৫ সালে সাবমেরিন ক্যাবলের সাথে সংযুক্তি তথ্য প্রযুক্তি বিকাশে আনে নতুন মোড়। তবে বিগত আট বছর ধরে তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে সরকারের বিশেষ পরিকল্পনা এ পরিবর্তনে বৈপ্লবিক রূপ আনে।   

১৯৯৭ সালে গঠিত প্রথম তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, "তখন লাইসেন্স ওপেন করা হলো। এর আগে শুধু একটা কোম্পানি ছিলো। তাদের মনোপলি ছিলো, প্রচুর টাকা নিতো। তারপর আরো তিন-চারতা কোম্পানি লাইসেন্স পেলো, এবং তাতে হলো কি, মোবাইলের মাধ্যমে অনেকে আল্টিমেটলি ইন্টারনেটে ঢুকতে শুরু করলো। তার মানে, এটা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়লো।"       

ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিকল্পনা বিস্তর, যা সরকারি-বেসরকারি খাতে দুর্নীতি, অপচয় ও হয়রানি কমিয়ে দ্রুত মানুষের সেবা নিশ্চিত করার মতো স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ে উঠার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। তবে গ্রাম পর্যন্ত মানুষের দ্বারে দ্বারে তথ্য সেবা পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ যেন সকলের অজান্তে দেশের সকল কোণে পাল্টে দিচ্ছে মানুষের চিরচেনা জীবনচিত্র।     

স্বাস্থ্য সেবাসহ নানা ধরনের সেবা দিতে নানা কেন্দ্র গ্রামীন জনপদে চেনা উদ্যোগ। তথ্য প্রযুক্তির বিস্তার যুক্ত করেছে ই-সেবা নামে নতুন আরেক কেন্দ্র। সারা দেশে এমন পাঁচ হাজার কেন্দ্র কখনো ঢাকা শহরে না আসা গ্রামের মানুষকেও যুক্ত করছে গোটা বিশ্বের সাথে। 
 

এই বিভাগের আরো খবর

কর্মস্থলে যৌন হেনস্তা রুখতে কড়া ব্যবস্থা গুগলের

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: কর্মস্থলে নারীদের যৌন হেনস্তা রুখতে এক সপ্তাহ আগেই প্রতিবাদে নেমেছিলেন গুগলে শীর্ষস্থানীয় ইঞ্জিনিয়ার থেকে প্রায় সব...

কর ফাঁকি বন্ধে সামাজিক মাধ্যমে তল্লাশি করবে ফ্রান্স 

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: কর ফাঁকি এড়ানো ঠেকাতে সামাজিক মাধ্যমে অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে তল্লাশি চালাবে ফ্রান্সের কর কর্তৃপক্ষ। ২০১৯ সালের...

নিজের ছবি দিয়েই বানিয়ে ফেলুন হোয়াটসঅ্যাপ স্টিকার

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: এবার নিজের ছবি দিয়েই বানিয়ে ফেলতে পারেন হোয়াটসঅ্যাপ স্টিকার। এবং এই স্টিকার টেক্সটও করতে পারবেন। আর তা একটি নয়, আপনার...

স্মার্টফোনের দাম কমালো হুয়াওয়ে

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: জনপ্রিয় দুটি স্মার্টফোনের দাম কমিয়েছে হুয়াওয়ে কনজ্যুমার বিজনেস গ্র“প (বাংলাদেশ)। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ফিচারের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is