ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

2019-05-20

, ১৫ রমজান ১৪৪০

গত সাড়ে তিন দশক ছিলো দেশের সিরামিক শিল্পের বিকাশ ও সমৃদ্ধির সময়

প্রকাশিত: ০৯:১৭ , ১৩ মে ২০১৭ আপডেট: ০৯:১৭ , ১৩ মে ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদন: গত সাড়ে তিন দশককে দেশের সিরামিক শিল্পের বিকাশ ও সমৃদ্ধির সময় হিসেবে দেখেন উদ্যোক্তারা। শুধু নতুন নতুন উদ্যোক্তা ও কারখানার সংখ্যাই বাড়েনি, সিরামিক সামগ্রী তৈরিতে এসেছে বৈচিত্র্য। এর ব্যবহারকারী শ্রেণী সীমিত আকার থেকে বিস্তৃত হয়েছে সর্বসাধারণে।

দেশে সিরামিক পণ্যের ব্যবহার একসময় ছিলো সীমিত। এর ক্রেতা বা ব্যবহারকারীরা ছিলেন একটি নির্দিষ্ট আয়ের জনগোষ্ঠি, কেননা এই পণ্য ছিলো ব্যয়বহুল। বিবেচিত হতো সৌখিন সামগ্রী হিসেবে।

তবে, সময়ের অগ্রগতির সিঙ্গে পাল্লা দিয়ে পাল্টে গেছে সেই চিত্র। উচ্চ-মধ্য-নিম্নবিত্ত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এখন সিরামিক সামগ্রী ব্যবহার বহুলপ্রচলিত বলে জানান ফার ইন্ডাস্ট্রি'র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইরফান উদ্দিন। 

সিরামিক সামগ্রী নগর শহর পেরিয়ে গ্রামীণ জনপদেও স্থান করে নিয়েছে। বিলাসবহুল হোটেল, রেস্তোরাঁ থেকে রাস্তার ধারের ছোট্ট চায়ের দোকানেও ব্যবহার হয়। সময়ের বিবর্তনে এটা যেমন জনপ্রিয় হয়েছে, সিরামিক ইন্ডাস্ট্রির সংখ্যাও বেড়ে হয়েছে ৫৬টি, যেগুলোর একটি ছাড়া সবই বেসরকারি।

দেশের গাজীপুর, সাভার, ধামরাই, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ এলাকায় এ ইন্ডাস্ট্রিগুলো বেশি গড়ে উঠেছে। এ ছাড়াও সিলেট, হবিগঞ্জ, বাগেরহাট জেলায় নির্মানাধীন কিছ ইন্ডাস্ট্রি রয়েছে। দেশের গ্যাস এই শিল্পের জ্বালানীর জন্য বিশেষ উপযোগী। 

সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিগুলোর মধ্যে প্লেট, বাটি, কাপ, বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার্য পাত্র সবচেয়ে জনপ্রিয়। এসব সামগ্রী তৈরির ইন্ডাস্ট্রি ১৮টি।

টাইলস তৈরির ইন্ডাস্ট্রি ২২টি, এবং স্যানিটারি ও বিদ্যুত খাতের বিভিন্ন সামগ্রীর তৈরির ইন্ডাস্ট্রি ১৬টি। তবে, মানের দিক থেকে সেরা নিত্য-ব্যবহারের তৈজসপত্র। এসব তৈজসপত্র ভারত ও ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে রফতানি ও ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানান শাইনপুকুর ইন্ডাস্ট্রির সিইও মো হুমায়ুন কবির। 

তিনি বলেন, "১৯৮০ সাল থেকে সিরামিক ইন্ডাস্ট্রির নবযাত্রা শুরু হয়। গ্লোবাল কম্পিটিশনের যাত্রায় আমরা তখন আমাদের সিরামিক পণ্যের মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাই।" 

দেশে সিরামিক সামগ্রীর বাজার একসময় আমদানির ওপর নির্ভরশীল থাকলেও, চাহিদা ও দেশীয় শিল্প ব্যাপকতা পাওয়ায় স্থানীয় বাজার একসময় দেশীয় সামগ্রী দখল করে নিতে সক্ষম হয়।

এই শিল্পে রপ্তানী করার জন্য তৈরি হয় এক-ধরণের উচ্চমানসম্পন্ন সিরামিক সামগ্রী। স্থানীয় বাজারে তৈরি সামগ্রীর মান এখানকার ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হয়, জানালেন এই শিল্প সংশ্লিষ্টরা। 

এই বিভাগের আরো খবর

ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার কথা ভাবছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে সরকার ভাবছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ডক্টর আব্দুর রাজ্জাক। রাজধানীর...

নিম্নমানের পণ্য রাখায় মিনাবাজারকে জরিমানা, এসিআইয়ের লবণ জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভ্যাট ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে বিদেশ থেকে আনা কসমেটিক্স বিক্রির অভিযোগে রাজধানীতে সাতটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয়...

হজযাত্রীদের টিকিট বিক্রি শুরু, যাত্রা বাতিল-বদলে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি বছরের হজ ফ্লাইটের টিকিট বিক্রি শুরু করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সোমবার থেকে হজ ফ্লাইটের...

বিচারাধীন মামলার সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে ব্যাখ্যা আসছে: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিচারাধীন মামলার বিষয়ে সংবাদ প্রচার করা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট ব্যাখ্যা দেবে বলে আশা করছেন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is