ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-20

, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

স্বদেশ ফেরত অবৈধ বাংলাদেশিদের পুনর্বাসনে অর্থায়ন করবে ইইউ

প্রকাশিত: ০৬:৪২ , ১১ মে ২০১৭ আপডেট: ০৬:৪২ , ১১ মে ২০১৭

কূটনৈতিক প্রতিবেদক: অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের স্বদেশে ফিরে যাওয়ার তাগিদ দিয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন-ইইউ। স্বদেশে ফিরে যাওয়াদের দক্ষতার উন্নয়ন ও জীবীকার জন্য প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে অর্থায়ন করবে ইইউ। অন্যদিকে, বাংলাদেশ বলেছে,বিশ্বের যে কোনো স্থানে অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশীদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য যা যা করা দরকার,তাই করবে সরকার।

বুধবার ব্রাসেলস সফররত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বৈঠক করেন অভিবাসন, স্বরাষ্ট্র ও নাগরিকত্ব বিষয়ক ইউরোপিয়ান কমিশনার দিমিট্রিস অভ্রমোপোলাসের। এসময় ইইউ’তে থাকা বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিয়ে এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে।

ইইউ দেশগুলোতে অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশি ইস্যুর বিষয়টি উল্লেখ করে কমিশনার দিমিট্রিস অভ্রমোপোলাস বলেন,অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশিরা স্বদেশে ফিরে গেলে বৈধভাবে বাংলাদেশীদের ইইউ দেশগুলোতে আসার দরজা খুলে যাবে। তিনি জানান, ২০১০ সালে ২০ হাজার বাংলাদেশী ইইউ দেশগুলোতে থাকার জন্য বৈধতা (নিবন্ধন) পেয়েছে।

কমিশনার দিমিট্রিস অভ্রমোপোলাস জানান, স্বদেশে ফিরে যাওয়া বাংলাদেশীদের দক্ষতার উন্নয়ন ও জীবীকার জন্য প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়ন করবে ইইউ।

এসময়, রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু সদস্যার সমাধানে ইইউ’এর সহযোগিতা কামনা করেন দুই মন্ত্রী। সন্ত্রাসবাদ দমনে ইইউ ও বাংলাদেশ একসঙ্গে কাজ করতে একমত হন তারা।

মানবাধিকার বিষয়ক ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টারি কমিটির ভাইস চেয়ার ক্রিশ্চিয়ান ড্যান প্রেদার সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন দুই মন্ত্রী।  
ইইউ সংসদ সদস্য প্রেদা ২০১৫ সালে তাঁর বাংলাদেশ সফরের কথা স্মরণ করেন। ইইউ ও বাংলাদেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি। এবছরের মার্চে বাংলাদেশ সফর করে আসা ইউরোপিয়ান সংসদ সদস্যরা বাংলাদেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির ওপর ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন বলে জানান ইইউ সংসদ সদস্য প্রেদা।

সাক্ষাত অনুষ্ঠানে বেলজিয়াম ও ইইউ’এ বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ইইউ ডেস্কের মহাপরিচালক মোহাম্মদ খোরশেদ এ. খাস্তগীর উপস্থিত ছিলেন।

এসময় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ইইউ সংসদ সদস্যকে জানান, বাংলাদেশে মানবাধিকার ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে। তিনি বলেন, জনগণের বিশেষ করে নারীদের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।
শ্রম অধিকার বিশেষ সংগঠন করার অধিকার সম্পর্কে আইনমন্ত্রী জানান, ইপিজেড আইন পুনরায় পর্যালোচনা করতে সংসদ থেকে আইনটির খসড়া প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করেই আইনটি পর্যালোচনা করা হবে। ইইউ সংসদ সদস্য প্রেদা ও অভিবাসন, স্বরাষ্ট্র ও নাগরিকত্ব বিষয়ক ইউরোপিয়ান কমিশনার দিমিট্রিস অভ্রমোপোলাস বাংলাদেশ সরকারের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া আধুনিক করতে নির্বাচনী সংস্কারে সহায়তা দেওয়ার জন্য ইইউ-কে ধন্যবাদ জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

এই বিভাগের আরো খবর

হেনস্তাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: উপমন্ত্রী জয়

ডেস্ক প্রতিবেদন: ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় বলেছেন, লন্ডনে তাকে যারা হেনস্তা করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ...

১৪ সাংবাদিক পেলেন ব্র্যাকের অভিবাসন মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: অভিবাসনবিষয়ক সংবাদ ও আলোকচিত্রের জন্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির পক্ষ থেকে এ বছর ১৪ জন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is