বায়োস্কোপের অস্তিত্ব রক্ষায় দরকার আন্তরিক পৃষ্ঠপোষকতা

প্রকাশিত: ০৯:১৬, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

আপডেট: ১২:৩২, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিনোদনের অনেক মাধ্যম নিয়ে নানা গবেষণা থাকলেও বায়োস্কোপ নিয়ে কোনা বই কিংবা গবেষণা নেই। বৈশাখী টেলিভিশন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ১০ জনের মতো বায়োস্কোপ প্রদর্শকের খোঁজ পায়। এদের মধ্যে অনেকেই সৌখিন প্রদর্শক। হারিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্য ধরে রাখতে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা জরুরি বলে মনে করেন এই খাতের সাথে জড়িতরা।

রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় চিত্রশালার সামনে দেশীয় ঐতিহ্যর ধারক হিসেবে একটি বায়োস্কোপের ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে। ঘুরতে আসা বিভিন্ন বয়সী মানুষের নজর কাড়ে শিল্পকর্মটি।

এক সময়ের জনপ্রিয় এই বিনোদনের মাধ্যম নতুন প্রজন্মের কাছে নাম না জানা বস্তুতে পরিণত হয়েছে। বাবা-মার কাছে বায়োস্কোপের গল্প শুনলেও এর সাথে পরিচয় নেই তাদের।

প্রযুক্তির মহাবিপ্লবের এই সময় সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া বয়োস্কোপকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব নয় বলে মনে করেন অনেকে। এখন বিলুপ্তির পথে চলে গেলেও বায়োস্কোপ শিল্পকে বাঁচাতে নেই কোনো কার্যকর উদ্যোগ। নির্বাক ছবি প্রদর্শনের এই মাধ্যমটি নিয়ে নেই কোনো গবেষণাও। দেশীয় ঐতিহ্য ধরে রাখার দায়িত্ব যাদের, সেসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের কাছেও বায়োস্কোপের বর্তমান বাস্তবতার কোনো চিত্র নেই।

চিরচেনা সেই সুরের তালে  খঞ্জনী বাজিয়ে কোনো বায়োস্কোপওয়ালা আবারো গ্রাম বাংলার মানুষকে বিমোহিত করবে, আধুনিক যুগে এমন প্রত্যাশা বাড়াবাড়ি হলেও এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে সরকার সময়পোযোগী বাস্তব পদক্ষেপ নেবেন, এমনই প্রত্যাশা সবার।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *