ঢাকা, রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৫ ফাল্গুন ১৪২৫

2019-02-17

, ১১ জমাদিউল সানি ১৪৪০

আশুলিয়ায় ধর্ষণের মূল হোতার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত: ০৯:৪৭ , ১৮ জানুয়ারী ২০১৯ আপডেট: ০৯:৪৭ , ১৮ জানুয়ারী ২০১৯

সাভার প্রতিনিধি: ঢাকার অদূরে সাভার উপজেলার আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে তৈরি পোশাক কারখানার নারী শ্রমিককে গণধর্ষণের মামলার মূল আসামির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার খাগান এলাকার আমিন মডেল টাউনের ভেতরের একটি খোলা মাঠ থেকে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় নিহতের গলায় একটি কাগজে লেখা ছিল, ‘আমি ধর্ষণ মামলার মূল হোতা’। নিহত ব্যক্তির নাম রিপন মিয়া (৪০)। তিনি আশুলিয়ার ইয়োগি বাংলাদেশ লিমিটেড নামে একটি তৈরি পোশাক কারখানার লাইন চিফ হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদাহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলায়।
গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ইয়োগি লিমিটেড কারখানা থেকে কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন এক নারী শ্রমিক। এ সময় পাঁচ বখাটে তাঁকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে কারখানার পিছনে একটি মাঠে গণধর্ষণ করে। পরদিন ৬ জানুয়ারি ওই নারী শ্রমিক মারা যান। একদিন পর ৭ জানুয়ারি নারী শ্রমিকের বাবা রিপনকে প্রধান আসামি করে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা করেন।   
শুক্রবার সকালে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আওয়াল দাবি করেন, আমিন মডেল টাউনের একটি মাঠে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ মরদেহ দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে লাশ থানায় নিয়ে আসে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওসি আরো বলেন, মরদেহের গলায় একটি কাগজে লেখা ছিল- ‘আমি ধর্ষণ মামলার মূল হোতা’। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাবেদ মাসুদ বলেন, ‘গণধর্ষণের একদিন পর ওই নারী শ্রমিক মারা যান। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার মূল আসামি রিপন। তাঁকে কারা গুলি করে মেরেছে তা তদন্ত করা হচ্ছে।

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রামে বস্তিতে আগুন, নিহত ৯

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের চাক্তাই এলাকার একটি বস্তিতে আগুন লেগে ৯ জন মারা গেছে। এসময় পুড়ে গেছে প্রায় ২শ’ ঘর। নিহতদের মধ্যে ৭ জনের...

চট্টগ্রামের উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করুন : গৃহায়নমন্ত্রী

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : সরকারি সকল সংস্থার সাথে সমন্বয় করে চট্টগ্রামের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো  দ্রুত বাস্তবায়ন করার নির্দেশ দিয়েছেন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is