ঢাকা, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯, ৯ চৈত্র ১৪২৫

2019-03-23

, ১৬ রজব ১৪৪০

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস আজ

প্রকাশিত: ০৬:৪৭ , ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৪:৫১ , ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। মহান মুক্তিযুদ্ধের একেবারে শেষভাগে এসে যখন বিজয়ের সূর্য্য উঁকি দিচ্ছিলো তখনই একাত্তরের এই দিনে পাকিস্তানি বাহিনীর এদেশীয় দোসর আল-বদর, আল-শামস বেছে বেছে হত্যা করে দেশের সেরা সন্তান- শিক্ষক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পেশার শীর্ষস্থানীয় মেধাবীদের। উদ্দেশ্য বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে বাংলাদেশকে পঙ্গু করে ফেলা; বাঙালি যেনো বিশ্ব দরবারে আর মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে।

মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে পঞ্চান্ন হাজার বর্গমাইল জুড়ে নৃশংস তান্ডব চালায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসর জামাতের গড়া রাজাকার-আলবদর-আল শামস বাহিনী। হত্যা করে তিরিশ লাখ মুক্তিকামী বাঙালিকে। তারপরও পরাজয় যখন নিশ্চিত, তখন ঘৃণ্য হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনা আঁটে ঘাতকরা।

খুনি পাকিস্তান বাহিনীর জেনারেল রাও ফরমান আলীর তালিকা ধরে একাত্তরের ১০ ডিসেম্বর থেকে আল-বদর রাজাকাররা এদেশের সেরা সন্তানদের হত্যার মিশনে নেমে পড়ে, সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে ১৪ই ডিসেম্বর। তালিকায় ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সঙ্গীতজ্ঞ, রাজনীতিক ও বিভিন্ন পেশার অগ্রসর চিন্তার মানুষ। লন্ডনের টাইমস পত্রিকা একাত্তরের ২৩ ডিসেম্বরে জানায়, ২৫০ জন বুদ্ধিজীবীকে ডিসেম্বরের ১৬ তারিখের আগে হত্যা করা হয়। যদিও সেই সময়ের সাংবাদিকদের হিসাবে সংখ্যাটা ছিল আরো বেশি।

বেশিরভাগ সূর্য্য সন্তানকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হয় রায়ের বাজার ও মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে। হাত ও চোখ বেধে পৈশাচিকভাবে হত্যা করে ঘাতকেরা। বিজয়ের পর ১৮ডিসেম্বর যখন এসব বধ্যভূমির সন্ধান মেলে তখন বহু মৃতদেহ সনাক্ত অসম্ভব হয়ে পড়ে। স্বাধীনতার পর বুদ্ধিজীবী হত্যার তদন্ত ও বিচারের উদ্যোগ নেয়া হলেও পঁচাত্তরের জাতির জনককে হত্যার পর থেমে যায় সে উদ্যোগ।

স্বাধীনতার ৪৭ বছরে সাম্প্রতিক সময়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের সাথে যুক্ত কয়েকজনের বিচার হলেও শুধুমাত্র বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের কোন তদন্ত বা বিচার আজো হয়নি।

 

এই বিভাগের আরো খবর

বিশ্ব আবহাওয়া দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আজ বিশ্ব আবহাওয়া দিবস। প্রতিবছর বাংলাদেশসহ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ১৯৩টি সদস্য দেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ২৩ মার্চ বিশ্ব...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is