১৬৮ থেকে ২২০ আসনে জিতবে আওয়ামী লীগ: আরডিসি’র জরিপ

প্রকাশিত: ১২:১৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮

আপডেট: ০৫:২৩, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬৮ থেকে ২২০ আসনে জয়লাভ করবে বলে- এমন কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। নিরপেক্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠান- রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার- আরডিসি’র জরিপ ও ১৯৯১-২০০৮ এর নির্বাচনের তথ্য বিশ্লেষণ করার পর তার এই বিশ্বাস বলে অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে এমন তথ্য দিয়েছেন জয়।
এই বছরের আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় জাতীয় জনমত জরিপটি করে আরডিসি। জয় লিখেছেন- ‘এ বছরের মেয়র নির্বাচনের জরিপটিও এই সংগঠনটিই করেছিল। আপনাদের হয়তো মনে আছে আমার পেজ থেকে সেই জরিপটিও শেয়ার করি, যার ফলাফল নির্বাচনের ফলাফলের সাথে মোটামুটি ভালোই মিলেছিল।’

এই জরিপটির জন্য ৫১টি নির্বাচনী আসনের ৫১ হাজার নিবন্ধিত ভোটারের সাথে কথা বলেন জরিপকারীরা। অর্থাৎ প্রতি আসনে অন্তত এক হাজার ভোটারের সাথে কথা হয়। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সকল নির্বাচনের ফলাফল আমলে নিয়েই এই ৫১টি আসন বৈজ্ঞানিকভাবে বেছে নেয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। এই আসনগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভিন্ন ভিন্ন দলের পক্ষে ভোট দেয়ার প্রবণতা দেখা যায়। সাধারণত জয়ের পার্থক্য সবচেয়ে কম থাকে। অর্থাৎ, এই আসনগুলো নিয়েই আওয়ামী লীগ বেশি চিন্তিত ছিল।
জয় লিখেছেন- ‘যেহেতু জরিপটি মনোনয়ন প্রক্রিয়ার আগে করা হয়েছিল, তাই আমরা প্রার্থীদের ব্যাপারে জনমত জানতে পারিনি। কিন্তু দলগতভাবে, ৫১টি আসনেই আওয়ামী লীগ এগিয়ে আছে। ১২.২ শতাংশ নিয়ে সবচেয়ে কম ব্যবধানে জয়ের সম্ভাবনা জয়পুরহাট-১ আসনে আর ৭৫ শতাংশ নিয়ে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের সম্ভাবনা বরিশাল-৪ আসনে। যারা এখনো সিদ্ধান্ত নেননি তাদের সবচেয়ে কম সংখ্যা দেখা যাচ্ছে টাঙ্গাইল-৩ আসনে, ২.৫ শতাংশ। এই আসনে আওয়ামী লীগের সাথে নিকটবর্তী দলের ব্যবধান ৪১.৫ শতাংশ। অন্যদিকে, ১৯.৮ শতাংশ নিয়ে সবচেয়ে বেশি সিদ্ধান্তহীনদের সংখ্যা সাতক্ষীরা-৩ আসনে, যেখানেও আওয়ামী লীগের জয়লাভের ব্যবধান ৬৪.৭ শতাংশ।’
জরিপ অনুযায়ী- গড়ে আওয়ামী লীগের জন্য সমর্থন ৬৬ শতাংশ মানুষের, বিএনপির জন্য ১৯.৯ শতাংশ আর ৮.৬ শতাংশ ভোটার সিদ্ধান্ত নেননি। যারা সিদ্ধান্ত নেননি তাদের থেকে আওয়ামী লীগের সমর্থনের ব্যবধান অনেক বেশি। আরো গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি তা হচ্ছে কোনো আসনেই আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপির সমর্থনের পার্থক্য ১০ শতাংশের এর মধ্যে নেই। শুধু ২টি আসনেই আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপির সমর্থনের পার্থক্য ২০ শতাংশ। এর মধ্যে ২৮টি তে, অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি জরিপকৃত আসনে, আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপির সমর্থনের পার্থক্য ৫০ শতাংশের বেশি। সমর্থনের পার্থক্য ১০ শতাংশের এর বেশি হলেই দ্বিতীয় দলটির জন্য তা পার করা মোটামুটি অসম্ভব হয়ে যায়, আর ২০ শতাংশ এর বেশি পার্থক্য থাকলে একাধিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর দ্বারাও তা টপকানো সম্ভব হয় না।
এই ফলাফল গুলো বয়স ও লিঙ্গের ওপর নির্ভর করে বের করা হয়েছে, তাই মোট ফলাফল সর্বক্ষেত্রে শতভাগ নয়। আসন অনুযায়ী ‘মার্জিন অফ এরর’ ৩ শতাংশ এবং আস্থা স্তর ৯৫%। সম্পূর্ণ ৫১ হাজার স্যাম্পল এর ‘মার্জিন অফ এরর’ ০ শতাংশ এবং আস্থা স্তর ৯৫%।
ফেসবুকে জয় লিখেছেন- ‘এই জরিপগুলোর ওপর ভিত্তি করে এবং ১৯৯১-২০০৮ এর নির্বাচনের তথ্য বিশ্লেষণ করার পর আমার বিশ্বাস যে, আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে ১৬৮ থেকে ২২০ টি আসনে জয়লাভ করবে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের চেয়েও বেশি ব্যবধানে এবার আওয়ামী লীগ জয়লাভ করবে।’

এই বিভাগের আরো খবর

সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ৪ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক : সংসদের সংরক্ষিত...

বিস্তারিত
গাইবান্ধা-৩ আসনে প্রতীক বরাদ্দ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: একাদশ জাতীয়...

বিস্তারিত
এমন নির্বাচন ইতিহাসে আর হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশ জাতীয় সংসদ...

বিস্তারিত
নতুন ৫২ সংসদ সদস্যের মধ্যে ৪৬ আওয়ামী লীগের

নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশ জাতীয় সংসদে...

বিস্তারিত
ব্যয়ের হিসাব: প্রার্থীর ৩০, দলের ৯০ দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সদ্য সমাপ্ত- ৩০...

বিস্তারিত
শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক: কেবল দেশের ভেতর...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *