ঢাকা, রবিবার, ১৯ মে ২০১৯, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

2019-05-18

, ১৩ রমজান ১৪৪০

‘গায়েবি’ মামলা নিয়ে করা রিট খারিজ

প্রকাশিত: ০৬:১১ , ২৫ নভেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৬:১১ , ২৫ নভেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘গায়েবি’ মামলার তদন্ত বন্ধ, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরবর্তীতে এ ধরনের মামলা না দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে করা রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ সংক্রান্ত আবেদনের শুনানি নিয়ে রবিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন একক হাইকোর্টে বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. মাসুদ রানা। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

এর আগে আওয়ামী লীগ ব্যতীত অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ‘গায়েবি’ মামলার তদন্ত বন্ধ, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরবর্তীতে এ ধরনের মামলা না দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের শুনানি নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত আদেশ দেন হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ। 

যার ফলে নিয়ম অনুসারে মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে যায়। পরে প্রধান বিচারপতি মামলাটির শুনানির জন্য নতুন বেঞ্চ গঠন করে দেন। গত ৯ অক্টোবর বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দ্বিধাবিভক্ত আদেশ দেন। 

মামলায় উভয়পক্ষের শুনানি শেষে পৃথক আদেশ দেন হাইকোর্ট। দ্বৈতবেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী তার আদেশে ‘গায়েবি’ মামলা হিসেবে অভিযোগকারীসহ অন্যান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে করা মামলা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। একইসঙ্গে ঢাকায় দায়ের হওয়া মামলাগুলো তদন্ত করে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলে পুলিশের মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি মামলার পরবর্তী তারিখ ১৭ ডিসেম্বর নির্ধারণ করেন। 

অন্যদিকে, আদালতের কনিষ্ঠ বিচারপতি আশরাফুল কামাল তার আদেশে বলেন, ‘রিটটি সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুসারে গ্রহণযোগ্য নয়। তাই এ রিটটি আমি প্রত্যাখ্যান (খারিজ) করলাম।’ 

উলে­খ্য, ২২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করা হয়। রিটে গত পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সারাদেশে বিএনপির জ্যেষ্ঠ আইনজীবীসহ বিভিন্ন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে করা চার হাজার মামলা এবং তিন লাখেরও বেশি লোককে আসামি করার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, এ বিষয়ে অনুসন্ধান করার জন্য স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়। 

এছাড়া, আওয়ামী লীগ ব্যতীত অন্যান্য দলের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত যত গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর তদন্ত বন্ধ এবং এ গায়েবি মামলাগুলোর বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে কমিটি গঠন করে ঘটনার তদন্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে যেন এ ধরনের মামলা দেওয়া না হয়, তার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। 

পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ব্যতীত অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অগণিত নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার করে গায়েবি বা আজগুবি মামলা দায়ের করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, রিটে সে বিষয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়েছিল। 

এই বিভাগের আরো খবর

খালেদা জিয়াকে জামিন না দেয়া সংবিধান পরিপন্থী: বিএনপি 

নিজস্ব প্রতিবেদক: মামলাগুলোর চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়ার পরও বেগম খালেদা জিয়াকে জামিন না দেয়া সংবিধান পরিপন্থী। বলেছেন, বিএনপির নেতারা।...

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ 

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির জনককে সপিরবারে হত্যার পর...

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামুন : নজরুল

নিজস্ব প্রতিবেদন : খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার আহবান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is