পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

প্রকাশিত: ০৮:৫৩, ০৭ নভেম্বর ২০১৮

আপডেট: ১২:৩৪, ০৭ নভেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত মানুষের দিনান্তেও আলোচনায় থাকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গ। তবে বিএনপির কোন প্রচার প্রচারণা না থাকায় এখন শুধু ক্ষমতাসীন দলের আগ্রহী প্রার্থীদের নিয়েই ভোটারদের মধ্যে যোগ্যতা-অযোগ্যতার চুল চেরা বিশ্লেষণ চলছে। প্রতিটি আসনেই ক্ষমতাসীন দলের বহু প্রার্থীর ভিড়ে এখন বিভক্ত খোদ সরকার সমর্থক দলের কর্মী-সমর্থকরাও।

রাজাধানী ও আশাপাশের এলাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত ছেয়ে গেছে বড় ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ব্যানার পোষ্টারে। সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে সর্বত্রই চোখে পড়ছে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে আগ্রহীদের প্রচার। তারা খুলে বসেছেন নতুন নতুন রাজনৈতিক কার্যালয়ও। সেখানে প্রতি নিয়তই থাকছে মানুষের আনাগোনা। তবে এই যাত্রায় একেবাইরে অনুপস্থিত বিএনপি বা অন্য রাজনৈতিক দলগুলো।

সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ তুলে ধরে প্রচার চালাচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা। তারা মাঠ পর্যায়ের পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকার কর্মকান্ডের চিত্র তুলে ধরছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।
 
এদিকে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, যোগ্য প্রার্থীদের বেছে নিতে চান তারা। এখন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী বাছাইয়ের ওপর নির্ভর করবে কাকে ভোট দিতে হবে তাদেরকে। তবে অপেক্ষাকৃত তরুণ প্রার্থীদের প্রতি আগ্রহ বেশি ফরিদপুর ও রাজবাড়ীর একাধিক আসনের ভোটার ও নেতাকর্মীরা।  

ভোটকে উৎসবের উপলক্ষ হিসেবে দেখতে চায় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষও। কর্মক্লান্ত মানুষের দিন শেষে অবসরের আড্ডায় এখন তাই আলোচনার মূল বিষয় আসছে ভোটের রাজনীতি। অনেকেই জানালেন শুধু প্রতীক দেখে নয়, তারা ভোট দিতে চান যোগ্য প্রার্থী দেখে।

তবে কয়েকটি জেলার অনেক সাধারণ ভোটার খোলাখুলিই বললেন সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড এবার হবে বড় বিবেচনার বিষয়।  

অপর দিকে মাঠে প্রচারনায় না থাকলেও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বিএনপির নেতারা বলছেন, মানুষ সুযোগ পেলেই সরকারি দলকে প্রত্যাখান করে তাদের বেছে নেবে। তৃণমূলে নানা কৌশলে প্রচার কাজ চালাচ্ছেন তারা।  

আওয়ামী লীগের মত শক্ত ভাবে অন্য কোন দলকে ভোটের মাঠে না দেখে নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে এখনও সংশয় আছে অনেকের মাঝে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *