ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-19

, ৮ মহাররম ১৪৪০

কম মূল্যেই পাওয়া যাচ্ছে হার্টের রিং, চিকিৎসা ব্যয় নেমে এসেছে অর্ধেকে

প্রকাশিত: ০৮:১৯ , ২৯ এপ্রিল ২০১৭ আপডেট: ০৮:১৯ , ২৯ এপ্রিল ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: হৃদরোগের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় করোনারি স্ট্যান্ট বা হার্টের রিংয়ের দাম কমানোর সিদ্ধান্তে স্বস্তিতে রোগী ও তাদের স্বজনেরা। চিকিৎসক ও রোগী উভয়েই বলছেন, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর রিং-এর দাম বেঁধে দেয়ায় হৃদরোগের চিকিৎসা ব্যায় কমেছে প্রায় অর্ধেক। নির্ধারিত মূল্যতালিকা হাসপাতালগুলোয় ঝুলিয়ে দেয়ায় এর সুফলও পাওয়া যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে সেবাগ্রহীতারা বলছেন, এসব উদ্যোগের ফলে রিং নিয়ে অসাধু চক্রের বাণিজ্য বন্ধ হবে। তবে, এর পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় রিং সংযোজনের সার্ভিজ চার্জ কমানো জরুরি বলেও মনে করেন রোগীরা। 

হৃদরোগীদের জন্য দেশে প্রতি বছর প্রায় ১৮ হাজার হার্ট রিং বা করোনারি স্ট্যান্ট দরকার হয়। এই চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে গড়ে উঠেছিলো বাড়তি মুনাফালোভী একটি অসাধু চক্র। আর এদের কারণে নিয়মিতই নৈরাজ্যের শিকার হতেন রোগীরা। তবে এ নৈরাজ্য বন্ধে সম্প্রতি হার্টের রিংয়ের দাম নির্ধারণ করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, যার ফলে দাম কমেছে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ। 

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দীন বলেন, পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনাচরণের পরিবর্তনের কারণে দেশে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এই রোগীদের অনেককেই রিং সংযোজন করতে হয়। 

তবে এই রিং সংযোজন করতে গিয়ে বাড়তি দামের কারণে বিপাকে পড়তে হতো রোগীদের। দাম কমায় চিকিৎসা ব্যয় বেশ কমে এসেছে জানিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করলেন রোগীরা। 

এদিকে, হার্টের রিং-এর নির্ধারিত মূল্য প্রতিটি হাসপাতালে ঝুলিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা.মো: মামুনুর রশীদ বললেন, এর মধ্য দিয়ে সাধারণ রোগীদের জন্য চিকিৎসা সহজ হয়েছে।

রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালগুলোয় খোঁজ নিয়ে জানা গেলো, এই নির্ধারিত মূল্য মেনে চলছেন তাঁরাও। ল্যাবএইড হাসপাতালের সমন্বয়ক  ডা. মাহবুব মজিদ হিমেল এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।  

গত ১১ এপ্রিল ঔষধ প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও ব্যবসায়ীদের এক বৈঠকে হার্টের রিং বা করোনারি স্ট্যান্ট এর মূল্য ও মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। 

বর্তমানে দেশে হার্টের রিংয়ের নিবন্ধিত আমদানীকারক কোম্পানির সংখ্যা ২১টি আর পণ্য রয়েছে রয়েছে ৪৭টি। এর মধ্যে ১৮টি কোম্পানির ৪০টি পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 
 

এই বিভাগের আরো খবর

দুদকের তলবে হাজির হননি মোরশেদ খান

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুদকের তলবে হাজির না হয়ে সময়ের আবেদন করেছেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপি সিনিয়র নেতা এম মোরশেদ খান এবং তার স্ত্রী...

তাজিয়া মিছিলে ধাতব অস্ত্র ও দাহ্য পদার্থ নিষিদ্ধ: ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র আশুরার তাজিয়া মিছিলে প্রবেশের সময় দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, টিফিনকারি ও ব্যাগ বহন নিষিদ্ধ করেছেন ঢাকা...

ডাকসু নির্বাচন: আদালত অবমাননার মামলা কার্যতালিকা থেকে বাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী ছয় মাসের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন না করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের...

নির্বাচনে সবপক্ষকে অহিংস আচরণের আহ্বান বার্নিকাটের

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্বাচনের আগে, চলাকালে ও পরে সব পক্ষকে অহিংস আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is