নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জমে উঠবে ব্যবসাও

প্রকাশিত: ১০:৫৫, ০৬ নভেম্বর ২০১৮

আপডেট: ১২:৫১, ০৬ নভেম্বর ২০১৮

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: জাতীয় নির্বাচন শুধু রাজনীতির মানুষদেরকেই ব্যস্ত করে না, বহু ব্যবসায়ী ও ব্যবসাকেও দারুণ ব্যস্ত করে তোলে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে ভোটের হাওয়া বইতে শুরু করেছে অনেক আগে, অপেক্ষা শুধু জমজমাট প্রচারণা শুরুর। আর তখন থেকেই ব্যাপক প্রসার ঘটবে নানামুখী ব্যবসার। গ্রাম থেকে শহর সর্বত্র চলবে নির্বাচন কেন্দ্রিক বাণিজ্য।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে নির্বাচন মৌসুমকে ঘিরে শহর গ্রাম সর্বত্র নানান ধরণের ব্যবসা হয়ে থাকে। সবচেয়ে বেশী সরগরম হয়ে ওঠে ছাপাখানার পাড়া আর চায়ের দোকানগুলো।

দেশের যে কোন ভোটে চায়ের বিশেস কদর বরাবরই, চাহিদা বেড়ে যায় বহুগুণ। চায়ের সাথে জমজমাট হয়হালকা নাস্তার বাণিজ্য। এই দুই খাত ছাড়াও আরো অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খাতে নির্বাচন কেন্দ্রিক ব্যবসা হয়, যেমন কদর বাড়ে পানেরও। এ সব খাতে ভোটের মাত্র দেড় মাসের মৌসুমে বাণিজ্য হয় শতশত কোটি টাকার।

জাতীয় নির্বাচনের মৌসুমে সারা দেশে বিপুলভাবে বেড়ে যাওয়া চায়ের চাহিদা মেটাতে চা পাতার যোগান দেয়া হয় চট্টগ্রামের এই নিলাম বাজার থেকে। নির্বাচন কালিন সময়ে প্রায় ২০ মিলিয়ন কেজি চায়ের বাড়তি ব্যবসা করে থাকে এখানের চা ব্যবসায়ীরা। যা স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে ২০ শতাংশ বেশী। সামনেই সে বাস্তবতা মাথায় রেখে চট্টগ্রামের নিলাম বাজারের নিবন্ধিত ২৩৪ ট্রেডার ইতোমধ্যে চা পাতা সংগ্রহ শুরু করেছে। বাজারে চায়ের দামও কেজিতে ১০ - ১৫ টাকা করে বেড়েছে।
ভোট কেন্দ্রিক বানিজ্যের আরেকটি বিশাল খাত ছাপাখানা বা প্রেস পাড়া। কাগজের পোষ্টার আর নানান ধরণের প্রচার পত্রের বড় একটি জায়গা দখল করেছে ডিজিটাল প্রিন্ট খ্যাত পিভিসি। এসব প্রিন্টিং প্রতিষ্ঠান প্রাক নির্বাচনী তৎপরতা থেকে মৌসুমী এই ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। দলের মনোনয়ন পাবার নিশ্চয়তা না থাকলেও প্রার্থীতার জন্য অনেকে আগে ভাগে মেগা পোষ্টার ছাপিয়ে প্রচারণায় নেমে পড়েছে। নির্বাচন আসলে এমন প্রচারে ঢেকে যাবেশহর, গ্রামের অনেক চেনা  দৃশ্য। চট্টগ্রাম বিভাগে এধরনের অর্ধশত প্রতিষ্ঠান নির্বাচন মৌসুমের প্রচারনা বাণিজ্য ধরতে পর্যাপ্ত কাচামাল  সংগ্রহ সহ নান প্রস্তুতি নিয়ে অপেক্ষায় আছে। নকশাকাররাও আছে সেই তালিকায়।

কাগাজ ব্যবসায়ীরাও নির্বাচন মৌসুমে ভাল ব্যবসার আশায় কাগজ মজুদ করেছে। স্থানীয় ভাবে কাগজের উৎপাদন ভাল থাকায় আমদানি নির্ভরতা অনেক কমে গেছে।এসব ছাড়ার নির্বাচন কালে ভাল বাণিজ্য করার অপেক্ষায় মাইক ও বাশ ব্যবসায়ীরা। প্রার্থী হতে আগ্রহীরা সবাই দল, নেতা ও ভোটারদের আকর্ষণ করতে প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত এখন। আর ভাল ভাণিজ্য করতে দল, সম্ভাব্য প্রার্থী ও নেতা-কর্মীদের আকর্ষণে ব্যস্তসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *