দক্ষিণের ৬ জেলায় ভোটের মাঠে নেই দৃশ্যমান তৎপরতা

প্রকাশিত: ১০:৩৪, ০৫ নভেম্বর ২০১৮

আপডেট: ০২:১৭, ০৫ নভেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোট আসলেই চারিদিকে সাদা চোখে যেই চিত্রগুলো সাধারণত দেখা য়ায় সেগুলো এখনো মাঠে দৃশ্যমান নয়। কারণ, ভোটের তারিখ, আসনগুলোতে বিভিন্ন দলের প্রার্থী কোনো কিছুই এখনো চূড়ান্ত হয়নি। কিন্তু নির্বাচন আসছে, এই নিশ্চতায় অনেক তৎপরতা শুরু হয়েছে আরো আগে। কিন্তু তা সাধারণের দৃষ্টির ভেতরে এখনো নয়।

এই মূহুর্তে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে যত উত্তাপ ও দৌড়ঝাপ তার সবটাই রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থী হতে আগ্রহীদের ঘিরে। ভোটের মৌসুমে এই নতুন ব্যস্ততা কিছু ক্ষেত্রে দৃশ্যমান হলেও সাধারণ ভোটার বা জনগনের কাছে নয়।

মূলত যা কিছু ঘামঝরা ব্যস্ততা এই মূহুর্তে মাঠে রয়েছে তা যারা প্রার্থী হতে চান একান্তই তাদের। নিজের শক্তি, জনপ্রিয়তা, গ্রহনযোগ্যতা ও সক্ষমতা মাঠ পর্যায়ে দলের প্রভাবশালী নেতাদের কাছে তুলে ধরা এই ব্যস্ততার একটি বড় কারন। অন্যদিকে ঢাকায় দলের কেন্দ্রের সঙ্গে ফলপ্রসূ যোগাযোগ তৈরী করা পর্দার আড়ালের ব্যস্ততা। তবে, উভয়ই দৌড়ঝাপই দলের হয়ে মনোনয়ন পাবার লক্ষ্যে।

ভোটকে সামনে রেখে প্রার্থী হতে আগ্রহী অনেকেই বিগত ঈদ এবং সাম্প্রতিক শারদীয় দূর্গোৎসবসহ বিভিন্ন উপলক্ষ্যে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় বিশাল ভোজের আয়োজনসহ নানা রকম সহযোগীতা মূলক কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছেন।

প্রার্থী হতে আগ্রহীদের পোস্টার ব্যনার দৃশ্যমান এই বিভাগের অনেক এলাকায়। তবে, এ ক্ষেত্রে আছে নানান কৌশলও। যিনি প্রার্থী হতে আগ্রহী, তিনি নিজের নামে বা উদ্যোগে এমন প্রচারণা না চালিয়ে তার পক্ষে অন্যরা চালাচ্ছে এমন ধারণা দেবার চেষ্টা দেখা যায় বর্তমান প্রচারণার কৌশলে।

ভোটের জন্য যতটুকু তৎপরতাই দেখাযায়, সেখানে সংসদের বাইরে থাকা বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি নেতা-কর্মীদের অনুপস্থিতি স্পষ্ট। মূলত রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসিন আছে এমন রাজনৈতিক দল ও তাদের ব্যনারে প্রার্থী হতে আগ্রহীরা এই সময়ের প্রচারণায় আধিপত্য বিস্তার করে আছেন।

বরিশাল বিভাগের মাঠ পর্যায়ের নির্বাচনী সকল তৎপরতাই এখন দলগুলোর অফিস কেন্দ্রীক। দিন দিন ভিড় বাড়ছে এসব কার্যালয়ে। জমে উঠছে দীর্ঘ আড্ডা, কাপের পর পর কাপ চায়ে উঠছে আলোচনার ঝড়। আর এসব কিছুই আসন্ন নির্বাচনের আগে তুমুল ব্যস্ত হবার প্রস্তুতি মাত্র।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *