ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

2019-05-23

, ১৮ রমজান ১৪৪০

হাওর অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করছে সরকার

প্রকাশিত: ০২:২৭ , ২৯ এপ্রিল ২০১৭ আপডেট: ০২:২৭ , ২৯ এপ্রিল ২০১৭

অনলাইন ডেস্ক: এদিকে, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, মৌলভীবাজার ও কিশোরগঞ্জসহ ৬ জেলার হাওর অঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত আট লাখ পরিবারকে পুনর্বাসনে কাজ করছে সরকার। পরবর্তী ফসল ওঠা পর্যন্ত আর্থিকসহ বিভিন্নভাবে সহযোগিতার কথা জানায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। হাওর অঞ্চেলের পানিতে ক্ষতিকারক গ্যাসের পরিমাণও কমেছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। কয়েকদিনের মধ্যে পানির গুণগত মান আরও বাড়বে বলে জানান তারা। 

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে এই সব হাওর অঞ্চলে দেখা দেয় আকস্মিক বন্যা। এতে ডুবে যায় বোরো ধানসহ আবাদি জমির ফসল। পচন ধরে ধানসহ বিভিন্ন উদ্ভিদে। পচে যাওয়া ধান থেকে সৃষ্ট অ্যামোনিয়া ও মিথেন গ্যাসের প্রভাবে দুষিত হয় পানি। কমে যায় অক্সিজেনের পরিমান। মড়ক দেখা দেয় মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণীর। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ছয়টি হাওর অঞ্চলে সাড়ে ৮ লাখ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে বেশিরভাগই কৃষক ও মৎস্যজীবী। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ হেক্টর জমির বোরো ধান। দূষিত পানিতে মারা গেছে বিপুল পরিমাণ মাছ ও হাঁস। 

হাওর অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে পুনর্বাসনে ঋণ সহায়তার পাশাপাশি সরকার বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করছে বলে জানালেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

এদিকে, পানির দুষণ অনেকাংশে কমতে শুরু করেছে বলে মনে করছেন গবেষকরা। আগের তুলনায় পানিতে দ্রবীভুত ক্ষতিকারক গ্যাসের পরিমান কমেছে আর বাড়তে শুরু করেছে অক্সিজেনের পরিমানও।

পানির প্রবাহ বাড়লে, ড্রেজিং ও উপকারী উপাদান প্রয়োগ করলে পানি দুষণ মুক্ত হবে বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।


 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is