ঢাকা, সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-19

, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

কূটনীতিকদের ঐক্যফ্রন্টের ব্রিফিং

প্রকাশিত: ০৮:০৬ , ১৮ অক্টোবর ২০১৮ আপডেট: ০৯:৪৩ , ১৯ অক্টোবর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপিকে নিয়ে জোট গঠনের পর একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে নিজের বক্তব্য কূটনীতিকদের জানালেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা কামাল হোসেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের চার দিন পর বৃহস্পতিবার ঢাকার গুলশানের লেইক শোর হোটেলে কূটনীতিকদের নিয়ে এই মতবিনিময়  সভা হয়। সভার পর জোট শরিক জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের- জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, “আজকে আমরা শুধু বাংলাদেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত-হাইকমিশনার-কূটনৈতিকদের সাথে রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় করেছি। অত্যন্ত সফলভাবে এই মতবিনিময় সম্পন্ন হয়েছে। “আমদের শীর্ষ নেতা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ড. কামাল হোসেন ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেছেন। তাদের প্রশ্নের জবাবও তিনি দিয়েছেন।”
সভায় থাকা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেন, “আমরা কূটনীতিকদের সাথে মতবিনিময় করেছি, এর বেশি কিছু বলা যাবে না।”
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অনমনীয়তার মধ্যে সংসদ ভেঙে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজন এবং খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে একজোট হয়েছে বিএনপি, জেএসডি, গণফোরাম ও নাগরিক ঐক্য।
বৈঠকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য কূটনীতিকদের সরবরাহ করা হয় বলে এতে উপস্থিত এক নেতা জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই নেতা বলেন, “একাদশ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পূর্ব শর্তাবলী, ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব, কারাবন্দি খালেদা জিয়ার মুক্তির সাথে নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার বিষয় সম্পর্কিত কূটনীতিকদের কয়েকটি প্রশ্নের জবাব দেন ড. কামাল।” তিনি বলেন, বিকালে এক ঘণ্টার এই বৈঠকের শুরুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল কূটনীতিকদের স্বাগত জানিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর কামাল হোসেন বক্তব্য রাখেন।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, কাতার, মরক্কোসহ ৩০টি দেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, মঈন খান, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, জেএসডির তানিয়া রব, আবদুল মালেক রতন, গণফোরামের মোস্তফা মহসিন মনটু, সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না ছাড়াও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনও ছিলেন বৈঠকে।

বিএনপি নেতাদের মধ্যে আবদুল্লাহ আল নোমান, হাফিজউদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, আবদুল মান্নান, শাহজাহান ওমর,  ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নাল আবেদীন, সাবিহউদ্দিন আহমেদ,  মীর মো. নাছির উদ্দিন, শাহিদা রফিক, শ্যামা ওবায়েদ, তাবিথ আউয়াল, মীর হেলালও সভায় ছিলেন।

সংসদ নির্বাচনের কয়েক মাস আগে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর ইতোমধ্যে জনসভার কর্মসূচি ঘোষণা হয়েছে। সিলেটে ২৩ অক্টোবর জনসভার পর চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতেও জনসভা করতে চায় তারা। তবে সিলেটে জনসভার অনুমতি মেলেনি। আগামী ২৩ অক্টোবর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভার কর্মসূচি ঢাকা থেকে ঘোষিত হলেও তার অনুমতি দেয়নি সিলেট মহানগর পুলিশ।

 

এই বিভাগের আরো খবর

সাজা স্থগিত চান খালেদা

নিজস্ব প্রতিবেদক: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া ১০ বছরের সাজার রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন বিএনপির...

প্রার্থী বাছাইয়ে তারেক অংশ নেয়ায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র প্রার্থী বাছাইয়ে ভিডিও কনফারেন্সে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দণ্ডিত পালাতক...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is