ঢাকা, সোমবার, ২০ মে ২০১৯, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

2019-05-19

, ১৪ রমজান ১৪৪০

চট্টগ্রামে গুমের ১১ দিন পর মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার 

প্রকাশিত: ০৩:২৪ , ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৩:২৪ , ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামে গুম হওয়ার ১১দিন পর মাটি খুঁড়ে মোহাম্মদ সাঈদ হোসেন (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  বুধবার দিবাগত রাতে মহানগরীর ইপিজেড থানার নিউমুরিং বোবা কলোনী এলাকা থেকে গলিত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। 

ওই ব্যবসায়ীকে খুন ও লাশ গুমে জড়িত সন্দেহে এরফান উদ্দিন কবির ও আরমান কবির নামের দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

সিএমপির ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উৎপল বড়য়ুা সাংবাদিকদের জানান, ব্যবসার জন্য নেওয়া প্রায় এক কোটি টাকা ফেরত চাওয়ায় সাঈদ হোসেনকে নিজ বাসায় ঢেকে নিয়ে হত্যার পর লাশ গুম করেছিল অভিযুক্তরা। নিহতের সাঈদের সাথে আত্মীয়তার সূত্র ধরে এরফান ও আরমান প্রায় কোটি টাকা নিয়ে ব্যবসা করছিল। এই টাকা নিয়েই এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। 

নিহত সাঈদ নগরীর গোসাইল ডাঙা এলাকার আজিজ মিয়ার বাড়ির আজমল হোসাইনের ছেলে। তিনি স্ত্রী ফরিদা আকতারকে নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরের খুলশী থানার লালখান বাজারের হিলসাইড আবাসিক এলাকার দি ম্যাগনেফিসেন্ট বিটিআইয়ে ফ্ল্যাটে থাকতেন। 

নিহতের স্ত্রী ফরিদা আক্তার বলেন, ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে পাওনা টাকা দেয়ার কথা বলে আমার স্বামী সাঈদকে বাসা থেকে নিউমুরিং বোবা কললোনীর জসিম বিল্ডিংয়ে ডেকে নিয়ে যায় এরফান ও আরমান। কিন্তু তিনি বাসায় ফেরত না আসায় কয়েকজন স্বজন ও পরিচিত লোক নিয়ে বোবা কলোনির জসিম বিল্ডিংয়ে যাই।  সাঈদ কোথায় জানতে চাইলে এরফান ও আরমান কোনো জবাব দেইনি। 

এ বিষয়ে তাদের জোর করলে তারা জানান, সাঈদকে পাওনা টাকার দেড় লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। আর সেই টাকা নিয়ে ভবন থেকে বের হতেই সন্ত্রাসীরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আমার স্বামী নিখোঁজের পর আমরা ইপিজেড থানায় জিডি করার পর পুলিশ এরফান ও আরামানকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। কিন্তু তারা কোনো ভাবেই সাঈদের অবস্থান স্বীকার করেনি। জিডি করার কারণে উল্টো ফরিদাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। 

সিএমপির ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উৎপল বড়য়ুা বলেন, ২৫ সেপ্টেম্বর জিডির সূত্রে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন সাঈদের স্ত্রী ফরিদা আক্তার। সেই মামলায় আসামি করা হয় এরফান উদ্দিন কবির (২৬), আরমান কবির (২৪), তাদের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম হিনা (২৩), নাজমুন নাহার (৪৫), মোহাম্মদ জিকু (২২) ও পিয়া আকতারকে (১৮)। 

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি। 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is