ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৯ ফাল্গুন ১৪২৫

2019-02-21

, ১৫ জমাদিউস সানি ১৪৪০

দেশে ফিরেছেন আরো ৩৪ জন নারী গৃহশ্রমিক

প্রকাশিত: ০৮:০৪ , ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ১১:৪৭ , ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্যাতনের শিকার হয়ে সৌদি আরব থেকে আরো ৩৪ জন নারী গৃহশ্রমিক দেশে ফিরেছেন। গত ভোর ৪টার দিকে এয়ার এরাবিয়ার একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান তারা। ফিরে আসা নারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে গৃহকর্তারা তাদের ওপর নানারকম নির্যাতন করেছে। তা সহ্য করতে না পেরে দেশে ফিরতে বাধ্য হন তারা। আরো জানান, দালালের দেয়া প্রতিশ্র“তির ছিঁটেফোটাও পূরণ হয়নি। দেশে ফেরার আকুতি নিয়ে এখনও সেখানে বাধ্য হয়ে কাজ করছেন অনেক নারী শ্রমিক।

ভাগ্য বদলের আশায় ২০০৪ সাল থেকে বিদেশে যেতে শুরু করেন বাংলাদেশি নারী শ্রমিকরা। ধীরে ধীরে তারা পাড়ি জমান সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান, কাতার, বাহরাইন ও লেবাননসহ বিশ্বের ১৮টি দেশে। কিন্তু সম্প্রতি সৌদি আরব থেকে নারী শ্রমিকদের দেশে ফেরার সংখ্যা বাড়ছে উদ্বেগজনকহারে। এদেরই একজন সিরাজগঞ্জের শিল্পি খাতুন। তিনি বর্ণনা দেন তার উপর নির্মম নির্যাতনের।

বিমান বন্দরে কথা হয় সৌদি থেকে দেশে ফেরা আরেক নারী শ্রমিক নাসরিন আক্তরের সঙ্গে। তিনি জানান, এখনো সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অন্য নারী শ্রমিকরা।

বছরখানেক আগে ভাগ্য বদলের আশায় গৃহকর্মী হিসাবে সৌদি যান নাটোরের জাহানারা বেগম। প্রায় ৭০ হাজার টাকা খরচ করে গেলেও তিনি ফিরেছেন একেবারে শূন্য হাতে। আর সয়তে হয়েছে অবর্ণনীয় নির্যাতন।

স্বচ্ছল জীবনের স্বপ্নে দেশ ছেড়ে সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে গৃহকর্মী হিসাবে কাজে যায় এসব নারী শ্রমিক। কিন্তু বিদেশ গিয়ে অবর্ণনীয় নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়ে স্বচ্ছলতার স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে রূপ নেয়। আর শারিরিক, মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে শুধু প্রাণটা নিয়ে দেশে ফেরেন তারা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

গ্যাসের অভাবে রাজধানীতে দুর্ভোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : পূর্ব ঘোষণা ছাড়া সকাল থেকে হঠাৎ করেই গ্যাস নেই সাভার থেকে রাজধানীর আজিমপুর পর্যন্ত এলাকায়। এক নোটিশে তিতাস কর্তৃপক্ষ...

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল আংশিক সচল, অগ্নিকাণ্ড একটি সতর্ক সংকেত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : অগ্নিকান্ডের প্রেক্ষিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা সাময়িক বন্ধ থাকার পর আবারো চালু হয়েছে।...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is