ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-22

, ১১ মহাররম ১৪৪০

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল উদ্বোধন আজ

প্রকাশিত: ০২:৫৪ , ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৪:৫৩ , ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সমাহারে সাজানো হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হতে যাাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদিন সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন ঘোষণা করার কথা রয়েছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল বুধবার  বিকেলে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিমান ও পর্যটন সচিব মহিবুল হক, বাংলাদেশ সার্ভিস লিমিটেড- বিএসএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোকাব্বের হোসেন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ১৯৬৬ সালে যাত্রা শুরু হয়েছিলো এ দেশের প্রথম পাঁচ তারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের। স্থপতি উইলিয়াম বি ট্যাবলারের চমৎকার নকশার এ হোটেলটি আজও চমৎকার স্থাপত্য শিল্পের নিদর্শন। এটি ইন্টারকন্টিনেন্টাল নামেই চলে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত। এরপর স্টারউড কোম্পানির সাথে চুক্তি হওয়ায় ১৯৮৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ঢাকা শেরাটন হোটেল নামে এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলে। শেরাটনের সাথে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ‘রূপসী বাংলা হোটেল’ নামে এটি পরিচালিত হয়। ২০১২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি হোটেলটির মালিক কোম্পানি বাংলাদেশ সার্ভিস লিমিটেড ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলস গ্রুপ (এশিয়া প্যাসিফিক) প্রাইভেট লিমিটেডের (আইএইজি) সঙ্গে ৩০ বছর মেয়াদি চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে বন্ধের পর ২০১৫ সালের মার্চে সংস্কারকাজ শুরু হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, রূপসী বাংলা হোটেলে কক্ষ ছিল ছোট-বড় মিলিয়ে ২৭২টি। সংস্কারের পর করে সংখ্যা কমে ২৩১টিতে দাঁড়িয়েছে। আয়তনের দিক থেকে কক্ষের আকার দাঁড়িয়েছে ২৬ থেকে ৪০ স্কয়ার মিটার। বিশ্বমানের অতিথি সেবা নিশ্চিত করতে পরিবর্তন করা হয়েছে সুইমিং পুল ও ডাইনিং হলের স্থান। এর আগে হোটেলটির বলরুম ছিল একদিকে, উইন্টার গার্ডেন নামে সবচেয়ে বড় হলরুমের অবস্থান ছিল আরেক দিকে। এখন দুটি এক করে দেয়া হয়েছে। হোটেলটির মূল ফটকও সরিয়ে দেয়া হয়েছে। ভেতরের সুইমিং পুলটিও স্থানান্তর করে সাজানো হয়েছে নতুন করে। গ্রাহকদের চাহিদার কথা মাথায় নিয়ে বাড়ানো হয়েছে সুযোগ-সুবিধা। সংস্কার কাজে প্রায় ৬২০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।
১৯৭১’র ২৫ মার্চের কালোরাতে জীবন বাজি রেখে ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যার ছবি ধারণ করেছিলেন হোটেলে অবস্থানরত বিবিসির বিখ্যাত সাংবাদিক মার্ক টালি ও সাইমন ড্রিং, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) পাকিস্তান ব্যুরোর প্রধান আর্নল্ড জেইটলিন, ক্লেয়ার হলিংওর্থ, ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদক ডেভিড গ্রিনওয়ে। এসব ছবির মাধ্যমে বিশ্ব জানতে পেরেছিলো বাংলাদেশ কী নৃশংসতার স্বীকার হয়েছে।
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ শেষে শিগগিরই হোটেলটি বাণিজ্যিকভাবে খুলে দেওয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়।

এই বিভাগের আরো খবর

২৬ দখলদারের কাছে জিম্মি ডিএনডি সেচ প্রকল্প এলাকা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ সদরের-ডিএনডি সেচ প্রকল্প এলাকায় ২৬ দখলদারদের হাতে জিম্মি প্রায় ২২ লাখ মানুষ। অবৈধ এসব স্থাপনার জন্য পানি...

প্রসাধন সামগ্রীতে ক্ষতিকর প্লাস্টিক কণা, ঝুঁকিতে মানবদেহ ও প্রকৃতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে বিভিন্ন ধরনের প্রসাধন সামগ্রীতে ক্ষতিকর মাইক্রোবিডস বা প্লাস্টিক-কণা পেয়েছেন গবেষকরা। ৮ ধরনের ১০৪টি প্রসাধনী...

সুপার ফোরে পাকিস্তানের ঘামঝরা জয়

ক্রীড়া প্রতিবেদক : এশিয়া কাপ ক্রিকেটে সুপার ফোরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরেছে আফগানিস্তান। আবুধাবিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন উইকেটের হার...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is