ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-21

, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

আকস্মিক বন্যায় লালমনিরহাটের দশ হাজার মানুষ পানিবন্দী

প্রকাশিত: ০১:৩৫ , ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০১:৩৫ , ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

লালমনিরহাট প্রতিনিধি: ভারি বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় লালমনিরহাটের চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। আকস্মিক বন্যায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে চরাঞ্চলের প্রায় ১০ হাজার মানুষ।

সোমবার রাত নয়টায় তিস্তা ব্যারাজের দোয়ানী পয়েন্টে পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার, যা বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপরে ছিল। তবে মঙ্গলবার সকালে পানি কিছুটা কমে বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ভারত তাদের গজল ডোবা ব্যারেজের অধিকাংশ গেট খুলে দেয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রচণ্ড গতিতে পানি বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে। আরো কত পরিমাণ পানি আসবে তা ধারণা করা যাচ্ছে না।

পানির গতি নিয়ন্ত্রণ করতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় তিস্তা পাড়ের লোকজনের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, তিস্তার পানিতে জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অধুনালুপ্ত ছিটমহল আঙ্গোরপোতা- দহগ্রাম, হাতীবান্ধার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিঙ্গিমারী, সিন্দুনা, পাটিকাপাড়া ও ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়ন, পার্শ্ববতী কালীগঞ্জ উপজেলার আমিনগঞ্জ, বৈরাতি, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ও সদর উপজেলার রাজপুর ও খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের চর এলাকার ২৩টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

হাতীবান্ধা উপজেলার ধুবনী গ্রামের অস্থায়ী বাঁধগুলোও হুমকির মুখে পড়েছে। এ বাঁধগুলো ভেঙে গেলে তিস্তার পানি হাতীবান্ধা শহরে ঢুকে পড়তে পারে।

এদিকে সদর উপজেলার চর রাজপুর এলাকার বাসিন্দারা বলেন, সোমবার বিকাল থেকে তারা পানিবন্দী। ক্রমে পানি বেড়ে চলেছে।

তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পে কর্মরত পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল আলম চৌধুরী জানান, উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে পানি আরও বাড়তে পারে।

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার্থী নিহত

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রামে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় এক ছাত্রী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরেকজন। সোমবার...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is