ঢাকা, শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-21

, ১০ মহাররম ১৪৪০

বাংলাদেশে অফিস চালু করছে ইউটিউব

প্রকাশিত: ০৫:১৫ , ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৫:১৭ , ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: বাংলাদেশে অফিস চালু করতে যাচ্ছে ভিডিও শেয়ারিং পোর্টাল ইউটিউব। আগামী অক্টোবর মাসের মধ্যে এ অফিস চালু করতে পারে ইন্টারনেট ও সফটওয়্যার সেবাদানকারী বহুজাতিক কোম্পানি গুগলের এ পোর্টাল। এরই অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহে ইউটিউবের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসছে। এ দলে প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তারা থাকবেন, যারা বাংলাদেশ সফরকালে সরকারের একাধিক মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক পক্ষের সঙ্গে কথা বলবে।

সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বের ৬১তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে অফিস চালু করতে যাচ্ছে ইউটিউব। ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি, ডিজিটাল বিপণনের বড় ক্ষেত্র তৈরি, বাজেট বৃদ্ধি, কনটেন্ট বৃদ্ধি, চ্যানেলের সংখ্যা বৃদ্ধি ইত্যাদিতে চোখ পড়েছে পোর্টালটির কর্তাদের। এছাড়া, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পরেই বাংলাদেশ অবস্থান করছে বলে মনে করছেন ইউটিউবের কর্মকর্তারা। একটি সূত্র মনে করে, হালে বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে ইউটিউব চ্যানেলে নাটক প্রচার, কিছু কিছু গান ‘কোটি ভিউ’ পাওয়ায় বাংলাদেশের বাজারটিকে ‘অমিত সম্ভাবনাময়’ বলে মনে করছে ইউটিউব।

প্রসঙ্গত, কোনও চ্যানেল ১০ লাখ গ্রাহকের মাইলফলক অর্জন করলে স্বীকৃতিস্বরূপ ইউটিউবের পক্ষ থেকে (পক্ষান্তরে গুগলের পক্ষ থেকে) গোল্ডেন প্লে বাটন দেওয়া হয়। দেশের একাধিক স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলে ইউটিউবে তাদের চ্যানেলের গ্রাহকপ্রিয়তার কারণে অ্যাপ্রিসিয়েশন হিসেবে গোল্ডেন প্লে ও সিলভার প্লে বাটন পেয়েছে।

এ বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ইউটিউবের ট্রাস্টেড ফ্ল্যাগার ‘প্রেনিউর ল্যাব’-এর প্রধান নির্বাহী আরিফ নিজামী বলেন, ‘এটা বাংলাদেশের জন্য সুখবর। এতে অন্তত বোঝা যায়, বাংলাদেশকে ইউটিউব কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে।’

সিএমএস আরিফ নিজামী বলেন, ‘এটা হলো কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।’ এখনই বাংলাদেশকে এটা ইউটিউব দেবে কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করে তিনি বলেন, ‘কনটেন্ট মডারেশন প্যানেল দিলেও দিতে পারে ইউটিউব। হয়তো স্থানীয় ডোমেইন (ডট বিডি) নিয়ে ইউটিউব তার অফিস চালু করতে পারে। তবে এখনই অ্যাডমিন প্যানেল বাংলাদেশ পাবে কিনা সেটা ইউটিউবের স্বভাব অনুযায়ী আগেই বলা যায় না। সিএমএস দিলে বাংলাদেশের জন্যই ভালো হবে।’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউটিউব দেশে অফিস চালু করলে কনটেন্ট ফিল্টারিং, কনটেন্ট প্রত্যাহার, বিজ্ঞাপন দেওয়া ইত্যাদি বিষয়গুলো সহজ হয়ে যাবে। অন্যদিকে, যারা ব্যক্তি এবং প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে ইউটিউবে চ্যানেল তৈরি করেছেন তারাও সরাসরি পোর্টালটির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের আয়, চ্যানেল ব্লক করে দেওয়া ইত্যাদির বিষয়ে কথা বলতে পারবেন।

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is