ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫

2018-11-15

, ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

শরীয়তপুরে পদ্মায় বিলীন বহু বাড়িঘর-স্থাপনা

প্রকাশিত: ১০:৩১ , ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ১০:৩১ , ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুরে পদ্মা নদীর ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় কেদারপুর গ্রামে ভাঙনে বিলিন হয়ে গেছে অনেক বসত বাড়িসহ নানা স্থাপনা। হুমকির মুখে রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। ভাঙন আতংকে দিশেহারা হয়ে পড়েছে পদ্মা পারের মানুষ। সবকিছু হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে দিন কাটছে অনেকের।

একদিন আগেও নিজের ঘরেই স্বামী সন্তান নিয়ে বসবাস করছিলেন শরীয়তপুরে কেদারপুর গ্রামের লাকি বেগম। ছিল বাড়ি ভরা গাছ-পালা, ফসলি জমি। পদ্মার অব্যাহত ভাঙ্গনে বিলিন হয়ে গেছে তার সব।

একই চিত্র গ্রামের ৩০টি পরিবারের। পদ্মার এমন আকস্মিক ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে, ঘর-বাড়ি, ফসলি জমিসহ নানা গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা। ভাঙনে শেষ আশ্রয়টুকু হারিয়ে এখন মাথা গোজার ঠাই খুঁজে পাচ্ছেনা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। নিরুপায় হয়ে খোলা আকাশের নীচেই দিন কাটছে তাদের।

হুমকির মুখে রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিও। এ অবস্থায় ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা।

এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে শুকনো খাবার ও ত্রান বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা ইয়াসমিন।

পদ্মা নদীর ভাঙ্গন রোধে প্রাথমিকভাবে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী।

গত ২ মাসে জেলার মোক্তারেরচর, কেদারপুর ও নড়িয়া পৌরসভাসহ ১৫টি গ্রামে পদ্মার আগ্রাসী ভাঙ্গনে বিলিন হয়ে গেছে দেড় থেকে দুই শতাধিক বসত ভিটা। দ্রুত এ অবস্থার একটি সমাধান চায় স্থানীয়রা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে চারঘণ্টা পর ফেরি চলাচল শুরু

মাদারীপুর প্রতিনিধি: ঘন কুয়াশার কারণে কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া রুটে চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। শনিবার- ৪ নভেম্বর দিবাগত রাত...

ময়লা ফেলার ট্রাকে চড়ে যাত্রা !

নিজস্ব প্রতিবেদক : শ্রমিকেদের ধর্মঘটে রোববার রাজধানীতে গণপরিবহণের সংকট দেখা দেয়ায় নিরুপায় যাত্রীদের সিটি কর্পোারেশনের ময়লা ফেলার ট্রাকে...

পরিবহন ধর্মঘটে ভোগান্তি চরমে

নিজস্ব প্রতিবেদক : সড়ক পরিবহন আইন সংস্কারসহ ৮ দফা দাবিতে সকাল ৬টা থেকে সারাদেশে চলছে ৪৮ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘট। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is