ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-25

, ১৪ মহাররম ১৪৪০

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

প্রকাশিত: ০৩:৪০ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০৩:৪০ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: মালয়েশিয়ায় জনশক্তি পাঠাতে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাড়তি সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত অভিযোগ আমলে নিয়ে সহকারী পরিচালক মো. শফিউল্লাহকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

দুদক সূত্রে জানা যায়, দুদকে আসা একাধিক অভিযোগ এবং গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। এর পরে এ-সংক্রান্ত তথ্য ও নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়। প্রাথমিকভাবে এসব তথ্যে অনিয়মের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। 

তবে বিষয়টি নিয়ে দুদকের দায়িত্বশীল কেউ কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। 

অভিযোগ রয়েছে, বাংলাদেশের ১০টি জনশক্তি রপ্তানিকারক (রিক্রুটিং এজেন্সি) একচেটিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ‘জি টু জি প্লাস’ পদ্ধতিতে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাত। তাদের সঙ্গে যুক্ত ছিল মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিয়ে গড়া একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এই অভিযোগে ১ সেপ্টেম্বর থেকে জি টু জি প্লাসপদ্ধতিতে জনশক্তি নেওয়া বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়ান সরকার। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সভাপতিত্বে ১৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত এক বিশেষ কমিটির বৈঠকে কর্মী নিয়োগের বিশেষায়িত পদ্ধতি এসপিপিএ (যা জি টু জি প্লাস নামে পরিচিত) থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে জি টু জি প্লাস (সরকারি-বেসরকারি) সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। কর্মী নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া হয় অনলাইনে। এর এক বছর পর ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে কর্মী পাঠানো শুরু হয়। এই প্রক্রিয়ায় এ পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া গেছেন প্রায় দুই লাখ শ্রমিক। জনপ্রতি ৩৭ হাজার টাকা খরচ হওয়ার কথা থাকলেও তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। এই হিসাবে অতিরিক্ত সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, সংঘবদ্ধ ওই চক্রের প্রধান বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মালয়েশীয় নাগরিক মোহাম্মদ আমিন বিন আবদুন নূর। মালয়েশিয়ায় বসে তিনি সেখানকার রাজনীতিবিদ, সাবেক আমলাসহ প্রভাবশালীদের নিয়ে সিনারফ্ল্যাক্স নামে একটি কোম্পানি তৈরি করেন। সিনারফ্ল্যাক্স বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নেওয়ার দায়িত্ব পাওয়ার পর শুধু এখানকার নির্দিষ্ট ১০ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী সংগ্রহ করত।

বাংলাদেশের ১০ এজেন্সি হলো ইউনিক ইস্টার্ন প্রাইভেট লিমিটেড, ক্যারিয়ার ওভারসিজ, ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনাল, এইচএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স, সানজারি ইন্টারন্যাশনাল, রাব্বি ইন্টারন্যাশনাল, প্যাসেজ অ্যাসোসিয়েটস, আমিন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, প্রান্তিক ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরিজম ও আল ইসলাম ওভারসিজ।

এই বিভাগের আরো খবর

বাংলাদেশেও বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ পোশাক কারখানাগুলো আছে: বার্নিকাট

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ কারখানারগুলো মধ্যে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলো রয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত...

বিএনপির জনসভা দুইদিন পেছালো

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকায় বিএনপির জনসভা দুইদিন পেছানোর ঘোষণা দিলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ঢাকায় বৃহস্পতিবার ২৭...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is