ঢাকা, শনিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৮, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-17

, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

ভবিষ্যতে আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে ক্লাব সংস্কৃতি

প্রকাশিত: ০৮:২৩ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ১২:৫২ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিগত এক-দেড় দশক আগেও পশ্চিমা সংস্কৃতির আদলের ক্লাবগুলোকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখতো অনেকে। তবে ভীষণ প্রতিযোগিতাপূর্ণ কর্মব্যস্ত নগরজীবনে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে উচ্চবিত্ত এমনকি মধ্যবিত্তদের মধ্যেও ক্লাব সংস্কৃতির প্রতি ঝোঁক দিন দিন বাড়ছে।

পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুসারী এসব ক্লাবে প্রবেশের সুযোগ না থাকায় অনেকে ভেতরের কর্মকাণ্ড নিয়ে কাল্পনিক নেতিবাচক ধারণা করতেন। সেরকম দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টাচ্ছে। এক সময় ঢাকা, চিটাগাং ক্লাবের মতো হাতে গোনা ঐতিহ্যবাহী কিছু সামাজিক ক্লাব থাকলেও, পরবর্র্তীতে আরো নতুন ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয় বিভিন্ন এলাকায়। এলাকা, পেশা ও গোষ্ঠী ভিত্তিক সমমনারা মিলে এগিয়ে নিচ্ছে এই ক্লাব সংস্কৃতিকে। পারস্পরিক সম্পর্কোন্নয়ন, ভাবের আদান প্রদান, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড সহ সব মিলে সদস্যদের ক্লাবে আনন্দ আড্ডায় সময় কাটে। আর ঝোঁক বাড়ছে ক্লাবের প্রতি।

যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধক- আরজেএসসি’র তথ্য মতে, দেশে সবধরনের নিবন্ধিত ক্লাবের সংখ্যা তিনশ’। এর মধ্যে সামাজিক ক্লাবের সংখ্যা আলাদা করা নেই। প্রতি বছরই কমবেশি নিবন্ধিত হচ্ছে।

লিমিটেড কোম্পানি ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে সব ক্লাব নিবন্ধিত। তবে নিবন্ধনের বাইরেও অনেক ক্লাব আছে। পুরোনো প্রতিষ্ঠিত অধিকাংশ ক্লাবে সদস্য কোটা শেষ। তারপরও অনেকে চায় যুক্ত হতে। তারা আবার গড়ে তুলছে নতুন ক্লাব। আবার ঐতিহ্যবাহী ক্লাবগুলোও বহুতল ভবন নির্মাণ করে নতুন সদস্য নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।   

ক্লাবগুলো সব নগর ও শহর কেন্দ্রিক। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নগর জীবনে ব্যক্তির সাথে ব্যক্তির সামাজিক যোগাযোগ বাড়াতে ভবিষ্যতে ক্লাব সংস্কৃতি আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is