ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-21

, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

পরিবার কেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে ক্লাবগুলো

প্রকাশিত: ০৮:২১ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ১২:৫১ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: সময়ের আবর্তে সামাজিক ক্লাবগুলো অনেকটা কিছু পরিবার কেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। ক্লাবগুলোতে সদস্যপদের কোটা পূরণ হলে তাদের পরিবারের সদসদের সহযোগী সদস্য করা হয়। তারাই পরে নানা প্রক্রিয়ায় নতুন সদস্য হয়। ক্লাবের সদস্যদের পরিবার কেন্দ্রিক সকল কর্মসূচি হওয়ায় চারপাশের বৃহৎ কমিউনিটির সাথে তেমন সম্পর্ক গড়ে ওঠে না।

এই ক্ষুদে টেনিস খেলোয়াড়রা স্কুল শেষে সরাসরি চলে আসে ক্লাবে। প্রতিদিন দুই ঘণ্টা প্র্যাকটিস শেষে বাড়ি ফেরে। উত্তরা ক্লাবের টেনিস গ্রাউন্ডে প্র্যাকটিস করে খেলা শিখে তারা অর্জন করেছে জাতীয় পর্যায়ে খেলার স্বীকৃতি। নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে রাখা আছে সদস্যদের শতবছরের পুরনো স্মারক। যা সদস্য ও তাদের স্বজনরা অর্জন করেছে নানা প্রতিযোগিতায়।

কর্মব্যস্ত দিনের ক্লান্তি ভুলতে ক্লাবগুলোতে সদস্য ও তাদের স্বজনরা বিকেল থেকেই ভীড় করে। মগ্ন থাকে খেলায়, সুইমিং পুলে সাতাঁর কাটায়, জিমে শরীর চর্চায়, লাইব্রেরীতে সময় কাটানোতে। অনেকে আড্ডায় ডুবে থাকেন। সপ্তাহে একদিন চলে হাউজি। প্রায় প্রতিটি ক্লাবে রয়েছে মাদকনিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অনুমোদিত বার। এসব ক্লাব পরিচালিত নিজস্ব নিয়ম, বিধি অনুসারে।   

প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী ক্লাবগুলোর প্রতিটিই সরকারি অথবা কারো দানের জমিতে গড়ে ওঠা। গেল কয়েক দশকে নতুন গড়ে উঠা ক্লাবগুলো হয় জমি কিনে নিজস্ব ভবনে অথবা ভাড়া করা জায়গায়  চলছে। আবার অনেক প্রাচীন ক্লাবও বহুতল ভবন নির্মাণ করছে। এসব কারণে বাড়ছে সদস্যদের খরচ।    

প্রায় প্রতিটি ক্লাবেরই রয়েছে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি। লেডিস ক্লাবগুলোতে নির্ধারিত কর্মসূচিগুলোতে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের অংশ নেয়ার সুযোগ রয়েছে।

সাধারণত একবার নির্ধারিত সংখ্যক সদস্য সংগ্রহ হয়ে গেলে ক্লাবগুলোতে আর নতুন সদস্য হিসেবে আগ্রহীদের জায়গা পাওয়া কঠিন হয়ে পরে। সদস্যদের পরিবারের সদস্যরা উত্তরাধিকাররের মত করে সদস্যপদ পায়। কেউ তার সদস্যপদ বিক্রি করলে কেবল বাইরের কেউ ঢুকতে পারে।

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিভাগীয় নির্বাচনী আসন গুলোতে, হোক তা শহরে কিংবা প্রত্যন্ত অঞ্চলে, পোষ্টার ব্যানারে ছেয়ে গেছে এরই মধ্যে। কর্মব্যস্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is