ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-22

, ১১ মহাররম ১৪৪০

পঞ্চাশের দশকে প্রতিষ্ঠা হয় নারীদের প্রথম ক্লাব

প্রকাশিত: ০৮:২০ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ১২:৪৯ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: শুরু থেকেই সামাজিক ক্লাবগুলো পুরুষদের বিনোদনের বিষয়টিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। ক্লাবের পুরুষ সদস্যদের পরিবারের একজন হিসেবে নারীরা ক্লাবের সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারতো। বহু পরে ক্লাবে নারীদের সদস্য করার প্রচলন শুরু হলেও দেশে নারীদের জন্য আলাদা ক্লাব ছিলো না। পঞ্চাশের দশকে প্রথম এই চিত্র পাল্টায়।

দৃশ্যগুলো বলে দেয় এটা নারীর একান্ত নিজস্ব ভুবন। একের পর এক দৃশ্য- প্রাণবন্ত আড্ডা আর গান। কেউ কবিতা পাঠ করছেন স্বরচিত, কেউ পছন্দের কবির লেখা। আড্ডা দিতে দিতেই কখনও বা গলা ছেড়ে সবাই মিলে গেয়ে ওঠেন প্রিয় গানের সুর। পারিপার্শ্বিকতা বলে ।

এটা নারীদের একটি ক্লাব। নিজেদের মনের মত আড্ডা আর সময় কাটানের জন্য এমন লেডিস ক্লাব গড়ে উঠেছে।

একাত্তরে স্বাধীনতার আগে পাকিস্তানী ও বাঙালী শাসকদের স্ত্রীরা মিলে বাংলাদেশ ভূখন্ডে লেডিস ক্লাব গড়ার উদ্যোগ নেয়। ঢাকার ইস্কাটনে গড়ে ওঠে প্রথমটি। ১৯৫৫ সালে ঢাকার গভর্ণর শাহাবুদ্দিনের স্ত্রী প্রথম নিজের বাসার গ্যারেজে কয়েকজন সরকারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তার স্ত্রীকে নিয়ে এই ক্লাব গড়েন। ১৯৬০ সালে রেজিস্ট্রেশন হয়। ক্লাবের সাড়ে তিন বিঘা জমির পুরোটাই দানের।

স্বাধীনতার পর নব্বইয়ের দশকে উত্তরায় হয় আরেকটি লেডিস ক্লাব। এর শুরুটা খুব সহজ ছিলো না। বাড়ি বাড়ি ঘুরে সদস্য খুঁজেও পোহাতে হয়েছে নানা বিড়ম্বনা।   

এক সময় অল্প খরচে সদস্য হওয়ার সুযোগ থাকলেও সামাজিক নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর কারণে অনেকে সদস্য হতে চাইতেন না। সেসব দৃষ্টিভঙ্গির অনেকটা পাল্টেছে, ক্রমেই অনেকে ঝুঁকছেন ক্লাবের প্রতি।

শুধু নিজেদের বিনোদনের জন্যই নয় বেশ কিছু লেডিস ক্লাব নানা ধরনের সামাজিক কল্যাণকর কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।

লেডিস ক্লাবগুলোর উদ্যোক্তা ও সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক একটি লেডিস ক্লাব অন্য অনেক নারীকে তাদের এলাকায়ও এমন আয়োজন করতে উৎসাহিত, অনুপ্রাণিত করছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is