ঢাকা, রবিবার, ২৬ মে ২০১৯, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

2019-05-25

, ২০ রমজান ১৪৪০

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

প্রকাশিত: ০৮:১৮ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ১২:৪৮ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন পেশার মানুষের ক্লাব। বিদেশিদের হাত ধরে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির আদলে দেশে প্রচলন হয় এমন ক্লাব বা সংঘ প্রতিষ্ঠার চর্চা। তবে একই বৈশিষ্ট্যের সামাজিক ক্লাবের এক সংস্কৃতি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে দেশে।

১৬৯৩ সালে লন্ডনে বিশ্বের প্রথম সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠা করে ব্রিটিশরা। তার নাম দেয় জেন্টলমেন্স ক্লাব অর্থাৎ ভদ্রলোকের সংঘ। পরে ব্রিটিশরা যুক্তরাজ্য জুড়ে এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত অন্য দেশেও জেন্টলম্যান্স ক্লাব করে। সেই ধারাবাহিকতায় ১৮২৫ সালে ক্লাব প্রতিষ্ঠা হয় পুরনো ঢাকার ভিক্টোরিয়া বা বাহাদুর শাহ পার্ক এলাকায়।


বর্তমানের ঢাকা ক্লাবই আদি জেন্টলম্যান্স ক্লাব। রমনায় ঢাকার নবাব পরিবারের ৫২৪ বিঘা জমি নেয় বৃটিশরা; পুরানো ঢাকা থেকে জেন্টেলম্যান্স ক্লাব স্থানান্তর করে। ঢাকা রাজধানী হলে নাম হয় ঢাকা ক্লাব। এটি ১৯১১ সালে সামাজিক ক্লাব হিসেবে নিবন্ধিত হয়।

শুরুর পর বহু বছর ঢাকার অভিজাত নবাব পরিবারেরও জেন্টলম্যান্স ক্লাব ব্যবহারের অনুমতি ছিলনা।

১৮২৭ সালে কলকাতায় বেঙ্গল ক্লাব করে ব্রিটিশরা। এরপর নিজেদের বাণিজ্যের স্বার্থে ব্রিটিশ শাসক গোষ্ঠী বাংলার যে প্রান্তেই গেছে সেখানে নিজেদের বিনোদনের জন্য ক্লাব গড়ে। বাংলাদেশে ঢাকার পর ১৮৭৫ সাল চট্টগ্রামে একজন ব্রিটিশ চা ব্যবসায়ী নিজের বাসায় ক্লাব চালু করেন। সেটাই ১৮৭৮ সালে হয় চিটাগাং ক্লাব। প্রবেশাধিকার ছিল শুধু ইউরোপিয়ানদের। এই বৈষম্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে ১৯২৭ সালে প্রতিষ্ঠাহয় চিটাগাং সিনিয়রস ক্লাব।  

সিলেট, খুলনা ও নারায়ণগঞ্জেও ক্লাব করে ব্রিটিশরা। নারায়ণগঞ্জে নাম ছিলো ইউরোপীয়ান ক্লাব। ১৯৪৭ সালে শাসকরা ভারত ছাড়লেও ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত এর পরিচালনার দায়িত্বে ছিলো বৃটিশরাই। তারপর প্রথম বাঙালী হিসেবে ক্লাবের দায়িত্ব পান সালামত আলী খান।  

বৃটিশ শাসকদের দেখানো পথে গড়ে ওঠা ক্লাব সংস্কৃতি কালক্রমে দেশজুড়ে ব্যাপকতা পেয়েছে স্থানীয় চিন্তা, পরিকল্পনা ও পাশ্চাত্যের ঢঙের মিশ্রণে।  

এই বিভাগের আরো খবর

বিষের বাজারেও ভেজাল আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে বছরে বিষের যে চাহিদা, তা অর্থমূল্যে আড়াই হাজার কোটি টাকার। যার পুরোটাই আমদানি করতে হয় বিভিন্ন দেশে থেকে। অন্যদিকে...

দেশে ক্রমেই বড় হচ্ছে বিষের বাজার

নিজস্ব প্রতিবেগ: বিষ কথাটায় সাধারণত নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হয়, কিন্তু নিজেদের স্বার্থে জেনে না জেনে বিচিত্র বিষের ব্যবহারে অভ্যস্ত মানুষ।...

ফল রপ্তানীতে সুপরিকল্পনা ও উদ্যোগ চান ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের ফল বাণিজ্য অভ্যন্তীণ বাজার কেন্দ্রিক। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে কিছু দেশীয় ফল বিদেশে রপ্তানী হলেও পরিমাণ খুব কম। তাই...

চাহিদা-পুষ্টিগুণ বিবেচনায় ফল চাষ পদ্ধতিতে এসেছে পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক : মৌসুমী ফলের উৎপাদন ক্রমেই বাড়ছে। চাহিদা এবং পুষ্টিগুণ বিবেচনায় চাষ পদ্ধতিতেও পরিবর্তন হচ্ছে। অপ্রচলিত এবং বিলুপ্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is