ঢাকা, রবিবার, ২৬ মে ২০১৯, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

2019-05-25

, ২০ রমজান ১৪৪০

লক্ষ্যমাত্রা ১২ হাজার কোটি টাকার চিংড়ি রপ্তানি

প্রকাশিত: ০৭:৫১ , ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০১:১৩ , ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ির বাণিজ্যে সাম্প্রতিক  স্থবিরতা কাটিয়ে আরো আগ্রসর করতে একটি লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে এই খাত সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি ব্যক্তিরা। তাহলো বর্তমান পাঁচ হাজার কোটি টাকা রপ্তানি বাণিজ্য বাড়িয়ে আগামী বিশ সালের মধ্যে ১২ হাজার কোটি টাকায় উন্নিত করা। আর যদি এই বাণিজ্যে নতুন উৎসাহ তৈরি করা সম্ভব নাও হয় তবুও লবণাক্ত পানির চিংড়ি চাষীদের পক্ষে হুট করে চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া নানান প্রকৃতিগত সমস্যার কারণে সহজ নয়। ভবিষ্যতের আশঙ্কা ও সম্ভাবনার মাঝে দাঁড়িয়ে আছে বর্তমানের তিন চিংড়ির চাষ ও বাণিজ্য।

দেশের চিংড়ি ৭০ দেশে যায়। মোট রপ্তানির ৭৫ ভাগ দখল করে আছে নোনা পানির বাগদা। বাকি পঁচিশভাগ গলদার দখলে। দেশের চিংড়ির সমাদর আছে বিদেশের বাজারে তবে দামের প্রতিযোগীতায় আছে বিপদে।

গেলো চার দশকের চিংড়ি চাষ ও বাণিজ্যের প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন সময় নানান অসাদুপায় অবলম্বনের জন্য বিশ্ব বাজারে নিষেজ্ঞার মতো বিপদে পড়তে হয়েছে বাংলাদেশের চিংড়িকে। যা রপ্তানীকে বিপদগ্রস্থ করেছে। স্বাভাবিক ভাবেই তার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে চিংড়ি চাষেও। এসব প্রতিক’লতার মধ্যেও এগিয়ে যাবার চেষ্টা আছে।

চিংড়ির চাষ ও রপ্তানি প্রক্রিয়ায় মান ঠিক রাখার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আছে, দূর্বলতা আছে বহুকাল ধরেই। কালক্রমেই এই খাত বড় হলেও দূর হয়নি সেই দূর্বলতা।

চিংড়ি চাষকে সমৃদ্ধ করতে আট বছর আগে বাগের হাটে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র। চাষীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এসবই চাষকে আরো উৎসাহিত করতে।

চিংড়ি চাষ ও বাণিজ্যে প্রণোদনা যোগাতে যত আয়োজনই হোক শেষ পর্যন্ত এগুলো কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে আছে শঙ্কার কথা।

শঙ্কা জড়ালো হলেই সব চিংড়ি চাষীর জন্য চট করে জমিতে অন্য কিছু করবার সুযোগ থাকবে না। বিশেষ করে উপক’লের নোনা পানিতে যারা চিংড়ি চাষ করে তারা আছে বড় বিপদে। জমিতে লবনাক্ততার কারণে আর কিছুই করা সম্ভব না সেখানে। ফলে এই চাষ নিয়ে দীর্ঘ দিনের বির্তক ও আশঙ্কার জায়গাটি জড়ালো হয়ে উঠছে আরো।

একসময় চাষের চিংড়ি স্থানীয় বাজারে পাওয়াই দুস্কর হতো। আর কখনও কোথাও পাওয়া গেলেও তার দাম হতো আকাশ ছোঁয়া। রপ্তানি বাণিজ্যে মন্দার কারণে স্থানীয় বাজারে চাষের চিংড়ি আসছে অনেক। সরবরাহ বাড়ায় দামও কমেছে, ফলে দেশের মানুষের কাছে চাষের চিংড়ি অতীতের চেয়ে সহজলভ্য হয়েছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর

বিষের বাজারেও ভেজাল আছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে বছরে বিষের যে চাহিদা, তা অর্থমূল্যে আড়াই হাজার কোটি টাকার। যার পুরোটাই আমদানি করতে হয় বিভিন্ন দেশে থেকে। অন্যদিকে...

দেশে ক্রমেই বড় হচ্ছে বিষের বাজার

নিজস্ব প্রতিবেগ: বিষ কথাটায় সাধারণত নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হয়, কিন্তু নিজেদের স্বার্থে জেনে না জেনে বিচিত্র বিষের ব্যবহারে অভ্যস্ত মানুষ।...

ফল রপ্তানীতে সুপরিকল্পনা ও উদ্যোগ চান ব্যবসায়ীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের ফল বাণিজ্য অভ্যন্তীণ বাজার কেন্দ্রিক। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে কিছু দেশীয় ফল বিদেশে রপ্তানী হলেও পরিমাণ খুব কম। তাই...

চাহিদা-পুষ্টিগুণ বিবেচনায় ফল চাষ পদ্ধতিতে এসেছে পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক : মৌসুমী ফলের উৎপাদন ক্রমেই বাড়ছে। চাহিদা এবং পুষ্টিগুণ বিবেচনায় চাষ পদ্ধতিতেও পরিবর্তন হচ্ছে। অপ্রচলিত এবং বিলুপ্ত...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is