ঢাকা, বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯, ৩ মাঘ ১৪২৫

2019-01-17

, ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

প্রকাশিত: ০৭:৪৩ , ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০১:১২ , ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে যত চিংড়ি উৎপাদিত হয় এক মৌসুমে, তার চেয়ে বেশি চিংড়ি পাওয়া য়ায় প্রাকৃতিক উৎস থেকে। এই দু’উৎস মিলে এক মৌসুমে দেশে ৩ লক্ষ টন চিংড়ি পাওয়া যায়। যার চার ভাগের এক ভাগ রপ্তানি হয় বাকিটা দেশের ভেতরেই বিক্রি হয়। চিংড়ির রপ্তানি বাণিজ্য মন্দা যাচ্ছে দেশের জন্য বিগত কয়েক বছর ধরে। তার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে চাষেও।

উপকূলের জেলা সাতক্ষীরাকে বাগদা চিংড়ির রাজধানী বলে চাষীরা। চাষের বাগদা বিক্রি করতে সাতক্ষীরার পাইকগাছায় এমানি করেই নিলামের ডাক উঠে সকাল সন্ধ্যা। সূর্য উঠার আগেই চিংড়ি চাষের নানা ঘের থেকে চাষীরা বিক্রিযোগ্য বাগদা নিয়ে আসে এই বাজারে। কয়েক দশকের রমরমা এই বাণিজ্যে যুক্ত চাষীদের চেহারা গেলও কয়েক বছর ধরে মলিন।

চিংড়ি চাষ ও বাণিজ্যের সাথে দেশের প্রায় অর্ধকোটি মানুষ প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। এই চাষের সবচেয়ে বড় উৎসাহ বা প্রণোদনার জায়গা বিদেশে চিংড়ি রপ্তানী। ঘের থেকে চিংড়ি উঠানোর পর দশ বারো হাত ঘুরে বিদেশের বাজারে যায় দেশের চিংড়ি। এ ক্ষেত্রে মাঠের চাষীরা লাভের সবচেয়ে কম অংশটি পায়। তবু রপ্তানির জৌলুসটাই তাদের উদ্বুদ্ধ করে।  অথচ সেই রপ্তানির চিত্রও গেলও কয়েক বছর ধরে উৎসাহ ব্যঞ্জক নয়।

চিংড়ি রপ্তানিকারকদের নিয়ে চাষীদের আছে। নানান সমালোচনা ও অভিযোগের জায়গা। যা নিয়ে পাল্টা বক্তব্যও আছে অভিযুক্তদের।

চিংড়ি চাষ নানান কারণে খুব স্পর্শকাতর। প্রাকৃতিক দূর্যোগ, নানা রোগের আক্রমনসহ বিভিন্ন বিপদ আপদ ও সীমাবদ্ধতা চিংড়ি চাষীদের দু:খের জায়গা।

চিংড়ি চাষের সংগ্রামটা বরাবরই ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চিংড়ির বৈদেশিক বাণিজ্যে মন্দা যাবার কারণে সংগ্রামটা এখন একটু বেশি। তবুও চাষীরা দিন ফিরবার আশায় এখনই চিংড়ি চাষ থেকে মুখ ফিরাতে আগ্রহী নয়।

 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is