ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-19

, ৮ মহাররম ১৪৪০

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

প্রকাশিত: ০৭:২৬ , ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ০১:০৯ , ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে কালক্রমে চিংড়ি চাষের জমি বি¯তৃত হয়েছে, উৎপাদনও বেড়েছে। নতুন নতুন প্রজাতির চিংড়ি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে চাষের তালিকায়।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের গোটা উপক’ল জুড়েই নোনা পানির চিংড়ি চাষ বি¯তৃত হয়েছে চার দশকে। এই অঞ্চলে চিংড়ি চাষের পদ্ধতিটা উদ্যোক্তাদের ভাষায় এখনও সনাতনী।

সাগর থেকে আসা জোয়ারের লবণাক্ত পানি যখন এই উপক’লের নিুাঞ্চলে ঢুকে পড়ে, তখন সেই পানি আটকে রেখে চলে নোনা পানির চিংড়ি চাষ।

চিংড়ি চাষে দেশ জুড়ে ব্যবহৃত জমির সিংহভাগ এই উপক’লে। প্রায় দুই লক্ষ হেক্টর জমিতে লবণাক্ত পানির চিংড়ি চাষ হয়। তবে এই চাষ সনাতনী না হয়ে যদি অন্য দেশগুলোর মতো আধুনিকায়ন বা আধানিবিড় পদ্ধতির করা যেত তাহলে একই পরিমাণ জমিতে আরো বেশি চিংড়ি উৎপাদন সম্ভব হতো।

প্রধান দুই চাষের চিংড়ির মধ্যে নোনা পানিতে হয় বাগদা। উদ্যোক্তাদের হিসেব মতে সনাতনী পদ্ধতির চাষে প্রতি হেক্টর জমিতে সর্বোচ্চ সাড়ে তিনশ কেজি বাগদা চিংড়ি পাওয়া যায়। সেই অনুসারে বছর দেশে প্রায় ৭০ হাজার টন বাগদা চিংড়ি উৎপাদিত হয়।

চিংড়ি চাষের এই এলাকা উপক’ল অঞ্চল থেকে অনেক দূরে। এখানে মিঠা পানিতে চিংড়ি চাষ হয়। এই পানিতে সবচেয়ে বেশি হয় গলদা চিংড়ির চাষ। গলদা মূলত মিঠা পানিতে চাষ হলেও নোনা পানিতেও এর চাষ সম্ভব। দেশে আশি হাজার হেক্টর জমিতে সনাতন পদ্ধতিতে  বছরে প্রায় ৫০ হাজার টন গলদা চিংড়ি উৎপাদিত হয়। চিংড়ি চাষে পোনার মান নিশ্চিত করা খুব জরুরি। এক্ষেত্রে যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা থাকায় সংগ্রাম করতে হচ্ছে চাষীদের।

চিংড়ির পোনা এবং চাষের পদ্ধতি নিয়ে অভিযোগ অনুযোগ বহু বছর ধরেই চললেও এর স্থায়ী সমাধান ও উন্নয়নের ব্যাপক কোন পরিবর্তন আসেনি। বিগত কয়েক বছরে বিদেরশের মতো উন্নত বা আধা নিবিড় পদ্ধতিতে চিংড়ির চাষ কক্সবাজার, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় কিছু বিত্তশালী চাষী শুরু করেছে। এর ভালো ফলও পেয়েছে। কিন্তু ব্যয় বহুল এই চাষ পদ্ধতি বহু প্রান্তিক কৃষকের পক্ষে অনুসরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

চিংড়ির চাষকে আরো উৎসাহিত করতে এর বাণিজ্যকে আরো আকর্ষণীয় করে তোলা প্রয়োজন বলে মনে করেন চাষীরা। অথচ সেইখানটাতেই তৈরি হয়েছে দুর্বল জায়গা।

 

এই বিভাগের আরো খবর

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সামাজিক ক্লাব প্রতিষ্ঠার চর্চা

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদেশি ভাষা হলেও ক্লাব বললেই সবাই এর অর্থ বোঝে। দেশে নানা ধরনের ক্লাব রয়েছে। যেমন- খেলার ক্লাব, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন...

চিংড়ি রপ্তানি মাত্র চারভাগের একভাগ, চাষে নেতিবাচক প্রভাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাগদা ও গলদাসহ মাত্র পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ করা সম্ভব হয়। চাষ থেকে...

দেশে পাঁচ প্রজাতির চিংড়ি চাষ, আধুনিকায়ন হলে বেশি উৎপাদন সম্ভব

নিজস্ব প্রতিবেদক: চিংড়ি চাষ খুব জটিল নয়, তবে নিরিড় পরিচর্যা দারুণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এইখানটায় দুর্বলতা চাষের চার দশকেও দূর করা যায়নি। তবে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is