ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯, ৫ মাঘ ১৪২৫

2019-01-19

, ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০

ফ্রিজে রাখা যাবে না যেসব খাবার

প্রকাশিত: ১০:২৯ , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ আপডেট: ১০:২৯ , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ডেস্ক প্রতিবেদন: অনেকে মনে করেন অধিকাংশ খাবার ফ্রিজে রাখতে পারলে ভালো। আর তাই অনেক সময়ই কোনো খাবারের নিয়ম না বুঝেই ফ্রিজে রেখে দেওয়া হয়। তবে, সব খাবার ফ্রিজে রাখলে এর ফল ক্ষতিকর হতে পারে। জেনে নিন কি কি খাবার ফ্রিজে রাখা যাবে না।

আলু:  ফ্রিজে রাখলে একদিকে যেমন আলুর গন্ধ চলে যায়, তেমনি আলুর মধ্যে থাকা শর্করা দ্রুত বাড়তে থাকে। আলু ভালো রাখতে কাগজের প্যাকেটে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখুন।

তরমুজ: ফ্রিজে সাধারণত ভালো থাকে না। ফ্রিজের ঠান্ডায় তরমুজে ‘চিল ইনজুরি’ হয়। এর ফলে তরমুজ তার স্বাদ ও রং হারিয়ে ফেলে। ‘চিল ইনজুরি’-তে ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়। আর এই অবস্থায় ওই তরমুজ খাওয়া পেটের জন্য অস্বাস্থ্যকর।

পাউরুটি: ঠান্ডায় থাকা পাউরুটিকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় বের করলে খুব দ্রুত তা শুকাতে শুরু করে। এর ফলে পাউরুটি ঝুরঝুরে হয়ে যায়। তাই পাউরুটিকে ডিপ ফ্রিজে রাখুন। তিন থেকে চার দিন ধরে যতটা পাউরুটি খাবেন সেটা বের করে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখুন।

কলা: ফ্রিজে রাখলে কলা একদিকে যেমন তার পরিপক্বতা হারায়, সেইসঙ্গে স্বাভাবিক গুণাবলিও নষ্ট হয়ে যায়। কারণ কলা নিজেই একটা ঠান্ডা ফল। বাড়তি ঠান্ডায় রাখলে কলার মধ্যে থাকা পটাসিয়াম কনটেন্টও কমে যায়।

টমেটো: অত্যাধিক ঠান্ডায় টমেটোর স্বাভাবিক গুণ নষ্ট হয়ে যায়। সেইসঙ্গে ‘ফাঙ্গাল ইনফেকশন’ হয়। এরপর ওই টমেটো খেলে তা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক।

কফি: ফ্রিজে কফি রাখলে তা খুব দ্রুত গন্ধ হারিয়ে ফেলে। এমনকি ফ্রিজে থাকা অন্য সব জিনিসের গন্ধ কফির মধ্যে ঢুকে যায়। অত্যাধিক ঠান্ডা কফিকে ড্যাম করে দেয়।

মধু: ফ্রিজে রাখলে মধুর মধ্যে একটা ‘ক্রিস্টাল’ লুক হয়। যদি, মধু ভালো রাখতে চান, তাহলে  কাঁচের বোতলে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখুন। এতে মধু ফ্রেশও থাকে এবং অনেকদিন পর্যন্ত স্বাভাবিক গুণ বজায় থাকে। মধু ‘ক্রিস্টাল’-এর আকার ধারণ করলে গুণ নষ্ট হয়ে যায়।

পেঁয়াজ: বেশি ঠান্ডায় পেঁয়াজ নরম হয়ে যায়। অন্য জিনিসের গন্ধও খুব দ্রুত পেঁয়াজ গ্রহণ করে। তাই স্বাভাবিক তাপমাত্রায় পেঁয়াজ রাখাই ভালো। খুব দরকার হলে একদিনের জন্য ফ্রিজে রাখা যেতে পারে।

অলিভ ওয়েল: ফ্রিজে রাখলেই জমে যায়। এর ফলে অলিভ ওয়েলের মধ্যে এমন কিছু কেমিক্যাল রিয়্যাকশন হয়, যা মানুষের শরিরের পক্ষে ক্ষতিকারক।

রসুন: গোটা রসুন ফ্রিজে রাখা অস্বাস্থ্যকর। রসুনের কোয়া অত্যাধিক ঠান্ডায় শুকোতে থাকে। এর ভিতরে যে রস থাকে তা শুকিয়ে যায়। সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ ঘণ্টা গোটা রসুন ফ্রিজে রাখা যেতে পারে। তবে, রসুনের পেস্ট ১০ থেকে ১৫ দিন ফ্রিজে স্টোর করা যায়।

এই বিভাগের আরো খবর

ঘুমের মধ্যে পায়ে টান পড়ে?

ডেস্ক প্রতিবেদন: হঠাৎ প্রবল যন্ত্রণা। পা সোজা করতে পারছেন না। ভোর রাতে পায়ের পেশিতে টান লেগে আমারা অনেকেই ভুগে থাকি। ফলে অসহ্য যন্ত্রণার...

শীতকালে গরম পানিতে স্নান স্বাস্থ্যকর না ক্ষতিকর?

ডেস্ক প্রতিবেদন: শীতকাল মানেই অনিয়মিত স্নান। আর স্নান করলেও গরম পানি দিয়ে। অনেকেই মনে করেন ঠান্ডার ভয়ে স্নান না করার চেয়ে গরম পানিতে স্নান...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is